বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল নিচ্ছেন

স্টাফ রিপোর্টার

বেনাপোলের নারায়নপুর গ্রামে মাদক ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের নেতা সোহাগ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও এলাকায় উশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের কিছুদিন আগে ছাত্রদল কর্মী আকাশ হোসেন পোস্টার টাঙাতে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানাতে একত্র হলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর সোহাগ হোসেন মোল্লা বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিজ শরীরে নিজে আঘাত করে মামলা করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সোহাগ হোসেন মোল্লার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বছর খানেক অাগে সোহাগ কাস্টমস হাউসে পিয়নের কাজ করতেন। এ সময় তিনি অফিসারদের ঘুষের টাকা আদায় করতেন। পরে কাস্টমস কমিশনার খালেদ হোসেন তাকে কাস্টমস হাউস থেকে বের করে দেয়। সোহাগের বিরুদ্ধে সেই সময় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ছিল। সে বর্তমানে মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে গ্রামবাসীরা জানান।

জনপ্রিয়

বেনাপোল হাইস্কুলের শীক্ষার্থীদের খেলার মাঠকে ঈদগাহ করার চক্রান্ত রুখে দিবে জনতা

বেনাপোলে মাদক ব্যবসায়ী সোহাগ প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল নিচ্ছেন

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

বেনাপোলের নারায়নপুর গ্রামে মাদক ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অভিনব কৌশল গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগের নেতা সোহাগ হোসেন মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও এলাকায় উশৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের কিছুদিন আগে ছাত্রদল কর্মী আকাশ হোসেন পোস্টার টাঙাতে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ জানাতে একত্র হলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর সোহাগ হোসেন মোল্লা বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিজ শরীরে নিজে আঘাত করে মামলা করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সোহাগ হোসেন মোল্লার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বছর খানেক অাগে সোহাগ কাস্টমস হাউসে পিয়নের কাজ করতেন। এ সময় তিনি অফিসারদের ঘুষের টাকা আদায় করতেন। পরে কাস্টমস কমিশনার খালেদ হোসেন তাকে কাস্টমস হাউস থেকে বের করে দেয়। সোহাগের বিরুদ্ধে সেই সময় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাকিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ছিল। সে বর্তমানে মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে গ্রামবাসীরা জানান।