শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মেটাতে গিয়ে প্রাণ গেল তাঁতী দল নেতার

  • ফেনী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৭:১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২১

ছবি-সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর গুণক গ্রামে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে খুন হলেন বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব নবী তারেক। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সোনাগাজী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে যে, তারেক ওই ঘরে বিরোধ মীমাংসা করতে গেলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এখানে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

 স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সাথে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলে আসছে। বুধবার সন্ধ্যায় আবার বিরোধ শুরু হলে তারেক বিরোধ মীমাংসা করতে যায়। এসময় তারেক ভয়ভীতি দেখিয়ে নাহিদের পরিবারকে শাসালে ক্ষুদ্ধ হয়ে সাঈদ ও নাহিদ তাকে লাঠিপেটা করে। অপ্রত্যাশিত ভাবে মাথায় লেগে যাওয়ায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তারেকের।
 
তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুনক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে।
 
আবদুল হালিম আরও জানান, এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে নাহিদ ও সাঈদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত। 
 
জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ দাবি করেন, ‘তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন জামায়াত নেতা।’
জনপ্রিয়

১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করলো সরকার

স্বামী-স্ত্রীর বিরোধ মেটাতে গিয়ে প্রাণ গেল তাঁতী দল নেতার

প্রকাশের সময় : ০৭:১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনীর সোনাগাজীর গুণক গ্রামে বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে খুন হলেন বগাদানা ইউনিয়ন তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব নবী তারেক। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

সোনাগাজী মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জানান, পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে যে, তারেক ওই ঘরে বিরোধ মীমাংসা করতে গেলে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এখানে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

 স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা আবদুল হালিম জানান, গুণক গ্রামের নাহিদের সাথে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলে আসছে। বুধবার সন্ধ্যায় আবার বিরোধ শুরু হলে তারেক বিরোধ মীমাংসা করতে যায়। এসময় তারেক ভয়ভীতি দেখিয়ে নাহিদের পরিবারকে শাসালে ক্ষুদ্ধ হয়ে সাঈদ ও নাহিদ তাকে লাঠিপেটা করে। অপ্রত্যাশিত ভাবে মাথায় লেগে যাওয়ায় ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তারেকের।
 
তারেক বগাদানা ইউনিয়নের গুনক গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে।
 
আবদুল হালিম আরও জানান, এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনো ইস্যু নেই। তবে নাহিদ ও সাঈদের পরিবার জামায়াত সমর্থিত। 
 
জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক সরোয়ার জাহান শ্রাবণ দাবি করেন, ‘তারেককে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন জামায়াত নেতা।’