শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতির মামলায় বেকসুর খালাস কেজরিওয়াল

ছবি-সংগৃহীত

ভারতের দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দল আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতির মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। কেজরিওয়াল এই মামলাকে ‘শাসক দলের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করে আসছিলেন। খবর এএফপির।

২০২৫ সালের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার আগে কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালের মার্চে তিনি গ্রেফতার হন। অভিযোগ ছিল তার প্রশাসন মদ লাইসেন্স বরাদ্দ থেকে কমিশন পেয়েছে। গ্রেফতারের পর তিনি কয়েক মাস জেলে কাটান।

 
প্রায় দুই বছর ধরে বিচার চলার পর আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মামলা থেকে কেজরিওয়ালকে দায়মুক্তি দেয় আদালত। এ সময় তিনি আদালতেই উপস্থিত ছিলেন। খালাস ঘোষণার পর আদালত ত্যাগ করার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
 
কেজরিওয়াল বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে,’ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।
 
দিল্লি আদালত কেজরিওয়াল, তার সরকারের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া এবং আরও ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
 
কেজরিওয়াল একজন ট্যাক্স কালেক্টর হিসেবে পেশা শুরু করেছিলেন, পরে দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন।
 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরোধীরা নানা ধরনের তদন্ত বা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সরকার এমন একটি বিল প্রবর্তন করে যা আটক বা আটকাদেশ থাকা রাজনীতিবিদদের পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে, যা বিরোধীরা ‘সংবিধান রক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
জনপ্রিয়

বেনাপোলে ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

দুর্নীতির মামলায় বেকসুর খালাস কেজরিওয়াল

প্রকাশের সময় : ০৬:৫২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দল আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্নীতির মামলা থেকে বেকসুর খালাস দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। কেজরিওয়াল এই মামলাকে ‘শাসক দলের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে অভিহিত করে আসছিলেন। খবর এএফপির।

২০২৫ সালের নির্বাচনে হেরে যাওয়ার আগে কেজরিওয়াল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালের মার্চে তিনি গ্রেফতার হন। অভিযোগ ছিল তার প্রশাসন মদ লাইসেন্স বরাদ্দ থেকে কমিশন পেয়েছে। গ্রেফতারের পর তিনি কয়েক মাস জেলে কাটান।

 
প্রায় দুই বছর ধরে বিচার চলার পর আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মামলা থেকে কেজরিওয়ালকে দায়মুক্তি দেয় আদালত। এ সময় তিনি আদালতেই উপস্থিত ছিলেন। খালাস ঘোষণার পর আদালত ত্যাগ করার সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
 
কেজরিওয়াল বলেন, ‘সত্যের জয় হয়েছে,’ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন।
 
দিল্লি আদালত কেজরিওয়াল, তার সরকারের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া এবং আরও ২১ জনকে সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।
 
কেজরিওয়াল একজন ট্যাক্স কালেক্টর হিসেবে পেশা শুরু করেছিলেন, পরে দুর্নীতি বিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে দেশব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন।
 
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরোধীরা নানা ধরনের তদন্ত বা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। ২০২৫ সালের আগস্টে সরকার এমন একটি বিল প্রবর্তন করে যা আটক বা আটকাদেশ থাকা রাজনীতিবিদদের পদত্যাগে বাধ্য করতে পারে, যা বিরোধীরা ‘সংবিধান রক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপ’ হিসেবে অভিহিত করেন।