মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন: সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের দেশের জ্বালানি মজুতে। ফলে দেশবাসীর পাশাপশি গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সেই বিষয়ে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ ন্যাপ প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিম ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এই আহ্বান জানান।

তারা বলেন, ‘সাম্প্রতিক ইঙ্গ-মার্কিন ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে। সাথে সাথে নানা ধরনের গুজবও সৃষ্টি হচ্ছে। পরবর্তী দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং জরুরী ভিত্তিতে তার বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে সরকারকে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য মানুষের যে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার লাইন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, যা অত্যন্ত কষ্টকর ও হৃদয়বিদারক। রোজা রেখে অনেক মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কারও কারও গাড়ির তেল একেবারে ফুরিয়ে গেছে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। অন্যথায় এই সংকট শুধু সাধারণ মানুষের যাতায়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্পকারখানায়ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। যা খুবই উদ্বেগজনক। সামনেই ঈদের যাত্রা শুরু হবে এই পরিস্থিতির জ্বালানি তেলের সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে মানুষের ঈদযাত্রা আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়তে বাধ্য। ’

তারা আরো বলেন, ‘চলমান সংকটময় মুহুর্তে জ্বালানি তেল নিয়ে যাতে করে নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে না ওঠে, সে লক্ষ্যে সরকারকে অবশ্যই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মজুতদারি ও চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করতে হবে। একই সাথে সরকারকে দ্রুততম সময়ে গুরুত্ব দিয়ে বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।’

জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি উত্তর কোরিয়ার

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করুন: সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

প্রকাশের সময় : ০৮:২৬:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

‘ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি তৈরি করছে। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের দেশের জ্বালানি মজুতে। ফলে দেশবাসীর পাশাপশি গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করে দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সেই বিষয়ে কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ ন্যাপ প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিম ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এই আহ্বান জানান।

তারা বলেন, ‘সাম্প্রতিক ইঙ্গ-মার্কিন ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করছে। সাথে সাথে নানা ধরনের গুজবও সৃষ্টি হচ্ছে। পরবর্তী দিনগুলোতে বিশ্ব পরিস্থিতি অনুরূপ থাকলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারকে বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং জরুরী ভিত্তিতে তার বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে সরকারকে।’

নেতৃদ্বয় বলেন, ‘প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য মানুষের যে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার লাইন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, যা অত্যন্ত কষ্টকর ও হৃদয়বিদারক। রোজা রেখে অনেক মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কারও কারও গাড়ির তেল একেবারে ফুরিয়ে গেছে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। অন্যথায় এই সংকট শুধু সাধারণ মানুষের যাতায়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্পকারখানায়ও বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। যা খুবই উদ্বেগজনক। সামনেই ঈদের যাত্রা শুরু হবে এই পরিস্থিতির জ্বালানি তেলের সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে মানুষের ঈদযাত্রা আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়তে বাধ্য। ’

তারা আরো বলেন, ‘চলমান সংকটময় মুহুর্তে জ্বালানি তেল নিয়ে যাতে করে নতুন কোনো সিন্ডিকেট গড়ে না ওঠে, সে লক্ষ্যে সরকারকে অবশ্যই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই মুহূর্তে দেশের কোথাও যেন জ্বালানি পাচার না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মজুতদারি ও চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করতে হবে। একই সাথে সরকারকে দ্রুততম সময়ে গুরুত্ব দিয়ে বিকল্প উৎস খুঁজতে হবে এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।’