
নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা মীর মো. জাহিদুর রহমান ছোটনকে আদালতে নোটারি করে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন তার বাবা। বুধবার (১১ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডিতে নোটারির কপি দিয়ে এক আবেগঘন পোস্ট করেন জাহিদুর রহমান। এর আগে মঙ্গলবার নেত্রকোনা আদালতের নোটারি পাবলিকেশন করে তার বাবা মীর আব্দুল খালেক তাকে ত্যাজ্যপুত্র করেন।
মীর জাহিদুর রহমান ছোটন সদর উপজেলার মীর আব্দুল খালেকের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।ত্যাজ্য পুত্র করার নোটারিতে মীর আব্দুল খালেক উল্লেখ করেন, তার ছোট ছেলে মীর মো. সাজিদুর রহমান ছোটন কৈশোরকাল থেকে পারিবারিক নীতি বিচ্যুত হইয়া ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উল্লেখ্য যে, আমার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের অধিকাংশ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থন করেছে এবং করিতেছে। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময় তাহার দাবি দাওয়া (মৌলিক চাহিদা) আদায়ে অসদাচরণের কারণে তার সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের দীর্ঘকাল ধরে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান। যেহেতু সে বাংলাদেশের একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক। সেহেতু তার নিজস্ব মতে চলার অধিকার রয়েছে। তবে তার কোনো কর্মের দ্বায় আমি এবং আমার পরিবার বহন করিব না। এখন থেকে তার সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের সম্পর্ক ছিন্ন করিয়া তাকে আমি ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করিলাম।
এদিকে ছোটনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা তাকে নিয়ে ফেসবুকে অনেক পোস্ট করেছেন। তারা সবাই ছোটনের দুঃসময়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। অনেকে আবার দলীয় হাইকমান্ড নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মীর মো. জাহিদুর রহমান ছোটন স্ট্যাটাসে লিখেন, বছরের পর বছর আমার সাথে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটি ঘটনা আমি গোপন রাখতে চেয়েছি। তাও কোনো না কোনোভাবে কারো কারো কাছে প্রকাশ পেয়েই গেছে। আজ আমি ক্লান্ত! তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সেরা কর্মী হওয়ার যাত্রায় আমি ক্লান্ত হব না। ইনশাআল্লাহ! “মহা বিদ্রোহী রণক্লান্ত আমি সেইদিন হব শান্ত, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না
নেত্রকোনা প্রতিনিধি 






































