
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার এ নির্বাচনের ফলভিত্তিক যে পরিসংখ্যান দিচ্ছে, তাতে দেখা যায় জেলা পরিষদে সবচেয়ে বেশি বাজিমাত করেছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গে জেলা পরিষদে মোট আসন ৯২৮টি। এর মধ্যে ৭৪০ আসনে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল ভারতীয় জনতা (বিজেপি) পেয়েছে ২৮টি আসন। অন্য দলগুলোর মধ্যে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিএম) পেয়েছে তিনটি আসন, ১১টি আসন পেয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, আর অন্যান্য দল ও ব্যক্তি মিলে আরও তিনটি আসনে জয়লাভ করেছে।
গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন রয়েছে ৬৩ হাজার ২২৯টি। এর মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৪২ হাজার ৪৬৭টিতে। বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেছে ৯ হাজার ৭৩৮টিতে, সিপিএম জিতেছে ২ হাজার ৯৭৫টিতে, কংগ্রেস জিতেছে ২ হাজার ৫৪৪টিতে, অন্যান্যরা জিতেছে ২ হাজার ৫৩৮টিতে। এ নির্বাচনের ৩৩৩টি আসনে দুজন প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পেয়েছেন।
এদিকে, গত শনিবার সহিংসতা, বোমা, গুলি, রেকর্ড মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মৃত্যুর পরিসংখ্যানে আগের সব নির্বাচনকেই কার্যত ছাপিয়ে গেছে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন। মৃত্যুর মিছিল থামেনি এখনো।
২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সহিংসতায় ২৩ জনের মৃত্যু হয়। আর চলতি পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের। এর মধ্যে শনিবার ভোটের দিন ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, সমর্থকরা রয়েছে। তেমনি এক পঞ্চায়েত প্রার্থী ও ভোটের লাইনে দাঁড়ানো ভোটারও রয়েছে। আর পঞ্চায়েতে ভোটগ্রহণের আগেই রাজ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক।। 







































