শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলার আকাশে-বাতাসে সরকার পতনের ঘণ্টা বাজছে –নুর

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৪৭
বাংলার আকাশে-বাতাসে সরকার পতনের ঘণ্টা বাজছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুলহক নুর। আজ শুক্রবার গণঅধিকার পরিষদের কার্যলয়ের সামনে এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশ যখন একটা গণঅভ্যুত্থানের দ্বারপ্রান্তে, ১৪ বছরের ভোটাধিকার বঞ্চিত ছাত্র-যুবকরা যখন আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছে তখন অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে সরকার ছাত্রলীগকে দিয়ে কথিত ছাত্রসমাবেশ করাচ্ছে। জোরজবরদস্তি করে, হুমকি-ধমকি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, গার্মেন্টস, দোকান বন্ধ করে এই সমাবেশে নিয়ে এসেছে। ঐ কথিত ছাত্রসমাবেশ থেকে দেশের লাখ লাখ বেকার ছাত্র-যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে কোন বক্তব্য আসেনি, চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবকদের নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৪ বছরে ছাত্রলীগের হাতে ৪৮ জনের প্রাণ গেছে। ছাত্রলীগের হাতে বুয়েটের আবরার, ঢাবির আবু বক্কর, হাফিজ, চবির দিয়াজ, ঢামেকের রাজিব, পুরান ঢাকার নিরীহ দর্জি বিশ্বজিৎতের রক্ত। ছাত্রলীগ এখন আর কোনো ছাত্রসংগঠন নয়, খুনীদের সংগঠন। গত ১৪ বছরে ছাত্রলীগের ১৪ টি ভালো কাজ দেখাতে পারবেন না। কিন্তু ১৪’শ খারাপ কাজের দৃষ্টান্ত আছে। এই কথিত ছাত্রসমাবেশের নামে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে গণআন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলার উস্কানি দিয়েছে। প্রশাসনের কতিপয় দুর্বৃত্তকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছে। কিন্তু বাংলার আকাশে-বাতাসে আজ ফ্যাসিবাদের পতনের ঘণ্টা বাজছে।

নুর আরও বলেন, ‘বিরোধী আন্দোলন দমাতে সরকার গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে, কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি আসামি আটকে অমানবিক পরিবেশে রেখেছে যাতে তারা বেরিয়ে আর রাজনীতি না করে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে কেউ রাজনীতি করবে না এমন কথা বলেনি। বরং ফ্যাসিবাদের পতন না ঘটিয়ে তারা ঘরে ফিরবে না জেল থেকে বেরিয়ে এ কথা বলছে। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই জনগণকে বলব দেশ রক্ষার রাজপথে নামুন। মনে রাখবেন, এই সরকার যদি এবারও অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসে তাহলে আগামী ২০ বছরের জন্য বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে।’

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসানের সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ,আব্দুজ জাহের, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা সম্পদ, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
সমাবেশ শেষে নুরুলহক নুর, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও উচ্চতর পরিষদের নেতাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সমাবেশ শেষে কার্যালয়ের সমানে থেকে একটি র‍্যালি কার্যালয় থেকে ফকিরাপুল মোড়, নয়া পল্টন, নাইটিংগেল মোড় ও পুরানা পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

জনপ্রিয়

নির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন ড.সৈয়দ রেফাত আহমেদ

বাংলার আকাশে-বাতাসে সরকার পতনের ঘণ্টা বাজছে –নুর

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
বাংলার আকাশে-বাতাসে সরকার পতনের ঘণ্টা বাজছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুলহক নুর। আজ শুক্রবার গণঅধিকার পরিষদের কার্যলয়ের সামনে এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশ যখন একটা গণঅভ্যুত্থানের দ্বারপ্রান্তে, ১৪ বছরের ভোটাধিকার বঞ্চিত ছাত্র-যুবকরা যখন আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছে তখন অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে সরকার ছাত্রলীগকে দিয়ে কথিত ছাত্রসমাবেশ করাচ্ছে। জোরজবরদস্তি করে, হুমকি-ধমকি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, গার্মেন্টস, দোকান বন্ধ করে এই সমাবেশে নিয়ে এসেছে। ঐ কথিত ছাত্রসমাবেশ থেকে দেশের লাখ লাখ বেকার ছাত্র-যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে কোন বক্তব্য আসেনি, চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্র-যুবকদের নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, গত ১৪ বছরে ছাত্রলীগের হাতে ৪৮ জনের প্রাণ গেছে। ছাত্রলীগের হাতে বুয়েটের আবরার, ঢাবির আবু বক্কর, হাফিজ, চবির দিয়াজ, ঢামেকের রাজিব, পুরান ঢাকার নিরীহ দর্জি বিশ্বজিৎতের রক্ত। ছাত্রলীগ এখন আর কোনো ছাত্রসংগঠন নয়, খুনীদের সংগঠন। গত ১৪ বছরে ছাত্রলীগের ১৪ টি ভালো কাজ দেখাতে পারবেন না। কিন্তু ১৪’শ খারাপ কাজের দৃষ্টান্ত আছে। এই কথিত ছাত্রসমাবেশের নামে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে গণআন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলার উস্কানি দিয়েছে। প্রশাসনের কতিপয় দুর্বৃত্তকে ব্যবহার করে ক্ষমতায় থাকতে চাচ্ছে। কিন্তু বাংলার আকাশে-বাতাসে আজ ফ্যাসিবাদের পতনের ঘণ্টা বাজছে।

নুর আরও বলেন, ‘বিরোধী আন্দোলন দমাতে সরকার গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে, কারাগারগুলোতে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি আসামি আটকে অমানবিক পরিবেশে রেখেছে যাতে তারা বেরিয়ে আর রাজনীতি না করে। কিন্তু জেল থেকে বেরিয়ে কেউ রাজনীতি করবে না এমন কথা বলেনি। বরং ফ্যাসিবাদের পতন না ঘটিয়ে তারা ঘরে ফিরবে না জেল থেকে বেরিয়ে এ কথা বলছে। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই জনগণকে বলব দেশ রক্ষার রাজপথে নামুন। মনে রাখবেন, এই সরকার যদি এবারও অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসে তাহলে আগামী ২০ বছরের জন্য বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হবে।’

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসানের সঞ্চালনায় যুব সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ,আব্দুজ জাহের, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা সম্পদ, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সামসুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
সমাবেশ শেষে নুরুলহক নুর, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান ও উচ্চতর পরিষদের নেতাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সমাবেশ শেষে কার্যালয়ের সমানে থেকে একটি র‍্যালি কার্যালয় থেকে ফকিরাপুল মোড়, নয়া পল্টন, নাইটিংগেল মোড় ও পুরানা পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।