
গতকাল মঙ্গলবারও শোকের মাতম শুনা গেছে উপজাতি সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হওয়া রাউজানের শিবলী সাদিক হৃদয়ের বাড়িতে। থামেনি হৃদয়ের মা’র বুক ফাটা আহাজারী। থানা পুলিশ হত্যাকান্ডের শিকার কিশোর হৃদয়ের দেহের খন্ডিত কংঙ্কাল ও খুনের অপরাধে গণপিটুনিতে নিহত উমংচিং মারমার লাশ গতকাল ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।
একই সাথে এদিন হৃদয়ের মা’র দায়ের করা অপহরণ মামলায় গ্রেফতার করা দুই আসামী পার্বত্য রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার মতিঙ্গাছড়ির অংসুচিং মারমার ছেলে সুইচিংমং মারমা (২৪) ও কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সাপমারা গ্রামের অংথুইমং মারমা (২৫) কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পঠিয়েছে।
একই সাথে অপহরণ মামলার আসামি উমংচিং মারমারকে ছিনিয়ে নিয়েগণপিটুনী দিয়ে হত্যা, পুলিশের কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদীহয়ে দুটি পৃথক মামলা করেছে।গতকাল সোমবার রাতে অপহরণ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাউজান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হাকিম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তবে মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের কোনো সংখ্যা উল্লেখ নেই।
উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট রাত ১০টায় রাউজানের কদলপুর ইউনিয়নের হযরত আশরাফ শাহ (রহ) এর মাজার গেটের পূর্ব পাশের ইলিয়াস পোলট্রি ফার্ম থেকে কলেজ ছাত্র হৃদয় নিখোঁজ হন। ১১ সেপ্টেম্বর সকালে তার রক্তমাংসহীন কংঙ্কাল উদ্ধার করা হয় পাহাড় থেকে।
এদিন পুলিশের কাছ থেকে বিক্ষুদ্ধ জনতা হৃদয় আপহরণ ও হত্যাকান্ডে জড়িত উপজাতি সন্ত্রাসী উমংচিং মারমারকে গণপিটুনী দিয়ে মেরে ফেলে।
এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন (৪৬), এসআই শাহাদাত হোসেন (৩৫), এসআই কিশোর কুমার (৩২), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আজিজুল হাকিম (২৯), এসআই কানু লাল (৪০), এএসআই শাহিদুল ইসলাম (৩৮) ও পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানের চালক।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, মামলায় আসামির সংখ্যা এবং নাম রাখা হয়নি। দুটি মামলার আসামিদের সবাই অজ্ঞাতনামা। ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হবে। আসামি ছিনিয়ে নিয়ে হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কয়েক হাজার নারী-পুরুষ মিলে তাঁদের আটকে দেন। তখন কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।
রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:- 







































