
এক মাসে ১৩ দিন ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে গিয়েছিলেন গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতারা। নেতাদের মধ্যে ছিলেন-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সমন্বয়ক এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তারা। খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা।
চিকিৎসকরা জানান, দেশের সব চিকিৎসা উনাকে দেয়া হয়েছে। তাকে বাঁচাতে গেলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা দিতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, উনি বলেছেন দেশকে বাঁচাতে হলে এই আন্দোলনটা করতে হবে, দেশকে রক্ষা করতে এই আন্দোলনে বিজয়ী হতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, খালেদা জিয়ার অবস্থা এভাবে বর্ণনা করা যাবে না। খুবই সংকটাপন্ন। মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিয়েছে, তাকে বিদেশে নিয়ে মাল্টি ডিসিপ্লিনারি অ্যাডভান্স সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। তার এখন মূলত লিভার ট্রান্সপ্লান্ট জরুরি। এটা জরুরি ভাবে করা না হলে তার অবস্থার আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। লিভার ট্রান্সপ্লান্টের জন্য বিদেশে যাওয়া জরুরি। অ্যাডভ্যান্স ট্রিটমেন্ট নিতে হবে দীর্ঘ মেয়াদে যা এই দেশে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমরা অবিলম্বে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানোর দাবী জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, গত ৯ই আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বেগম খালেদা জিয়াকে। এরপর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ৭৮ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী লিভার সিরোসিস, আর্থাইটিস, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্রে জটিলতা, ফুসফুস, চোখ ও দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়া তার মেরুদণ্ড, ঘাড়, হাত ও হাঁটুতে বাতের সমস্যাসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































