বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেবে না পুলিশ

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ১৬৪

জামায়াতে ইসলামীকে ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি দেবে না পুলিশ। ওই দিন মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানের কাছে আবেদন করেছিল দলটি।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত শাপলা চত্বরে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না। জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী একটি রাজনৈতিক দল। তারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত। তাই জামায়াতে ইসলামকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়ার কোনো সুযোগই নেই।

এর আগে সোমবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপি কমিশনারের কাছে চিঠি দেয় জামায়াত। চিঠিতে দলটি উল্লেখ করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, দলটির আমির শফিকুর রহমানসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও আলেমদের মুক্তি এবং নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ‘শান্তিপূর্ণ’ মহাসমাবেশ করতে চায় তারা।
জনপ্রিয়

যশোরে পেটভর্তি ইয়াবাসহ যুবক আটক

ঢাকায় জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেবে না পুলিশ

প্রকাশের সময় : ১০:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

জামায়াতে ইসলামীকে ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি দেবে না পুলিশ। ওই দিন মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানের কাছে আবেদন করেছিল দলটি।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত শাপলা চত্বরে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না। জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী একটি রাজনৈতিক দল। তারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত। তাই জামায়াতে ইসলামকে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়ার কোনো সুযোগই নেই।

এর আগে সোমবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশের অনুমতি চেয়ে ডিএমপি কমিশনারের কাছে চিঠি দেয় জামায়াত। চিঠিতে দলটি উল্লেখ করে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, দলটির আমির শফিকুর রহমানসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও আলেমদের মুক্তি এবং নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ‘শান্তিপূর্ণ’ মহাসমাবেশ করতে চায় তারা।