বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াতের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ,৩১টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০২৩
  • ১১৩

বিএনপি-জামায়াতের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্তত ৩১টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।এছাড়া, পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ এবং বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) তথ্য মতে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে এই অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। এতে সামান্য মজুরি পায় বিএনপির কর্মীরা।

রবিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়। তবে অবরোধ শুরুর আগেই রাজধানীতে বাসে আগুন দেয়া শুরু করে দুর্বৃত্তরা। এমনকি অবরোধের আগের রাত শনিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

এদিকে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিরতি দিয়ে বুধবার (৮ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত তৃতীয় দফায় টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপি। তাদের কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে জামায়াতে ইসলামীও অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে।

২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বড় ধরনের সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগ। সেদিন দুপুরের দিকে বিএনপির সমাবেশে আসা লোকজনের সঙ্গে কাকরাইল মোড়ের কাছে আওয়ামী লীগের সমাবেশগামী লোকজনের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ সেখানে হস্তক্ষেপ করার পর এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা হয় এবং বেশকিছু গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। উপস্থিত সাংবাদিকদেরও ব্যাপক মারধর করা হয়।

এক পর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়, পুলিশের বহু সদস্যকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়ে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।

জনপ্রিয়

ইতালি উপকূলে ভেসে আসছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃতদেহ

বিএনপি-জামায়াতের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ,৩১টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ

প্রকাশের সময় : ১০:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর ২০২৩

বিএনপি-জামায়াতের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্তত ৩১টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।এছাড়া, পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ এবং বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) তথ্য মতে, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে এই অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। এতে সামান্য মজুরি পায় বিএনপির কর্মীরা।

রবিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডাকা হয়। তবে অবরোধ শুরুর আগেই রাজধানীতে বাসে আগুন দেয়া শুরু করে দুর্বৃত্তরা। এমনকি অবরোধের আগের রাত শনিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুনের ঘটনা ঘটে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

এদিকে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিরতি দিয়ে বুধবার (৮ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৬টা পর্যন্ত তৃতীয় দফায় টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের ডাক দিয়েছে বিএনপি। তাদের কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে জামায়াতে ইসলামীও অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে।

২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বড় ধরনের সমাবেশ করে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগ। সেদিন দুপুরের দিকে বিএনপির সমাবেশে আসা লোকজনের সঙ্গে কাকরাইল মোড়ের কাছে আওয়ামী লীগের সমাবেশগামী লোকজনের সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ সেখানে হস্তক্ষেপ করার পর এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা হয় এবং বেশকিছু গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। উপস্থিত সাংবাদিকদেরও ব্যাপক মারধর করা হয়।

এক পর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়, পুলিশের বহু সদস্যকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়ে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।