রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে সুদ ব্যবসায়ী ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার 

  • যশোর অফিস।।
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ২৪০

যশোর সদরের ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা মান্দিয়া গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহ নুরপুর গ্রামের মহাসিনের। আজ শুক্রবার সকালে যশোর কোতয়ালি ও চাঁদপাড়া পুলিশ মহসিনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মহসিন এলাকায় সুদের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন ।ব্যবসায়ী দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

মহসিন গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নিখোজ ছিলেন । তিনি তোলা নুরপুর গ্রামের মসি মন্ডলের ছেলে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, আজ শুক্রবার সকালে ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা মানদিয়া আদর্শপাড়ার আসাদের পুকুরের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। মরদেহের মুখসহ শরীরের অর্ধেক অংশ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পরে এলাকাবাসী ৯৯৯ ফোন দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাহায্য চান । যশোর পুলিশ  ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরে লাশের ফিঙ্গার প্রিন্ট যাচাই বাছাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে,পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতের স্বজনদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মহাসিন সুদের ব্যবসা করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে মহাসিনকে প্রতিপক্ষরে হত্যা  করে লাশ ওই স্থানে ফেলে রেখে যায়।

জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

যশোরে সুদ ব্যবসায়ী ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার 

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

যশোর সদরের ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা মান্দিয়া গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহ নুরপুর গ্রামের মহাসিনের। আজ শুক্রবার সকালে যশোর কোতয়ালি ও চাঁদপাড়া পুলিশ মহসিনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মহসিন এলাকায় সুদের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন ।ব্যবসায়ী দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে হত্যা করতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

মহসিন গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নিখোজ ছিলেন । তিনি তোলা নুরপুর গ্রামের মসি মন্ডলের ছেলে।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, আজ শুক্রবার সকালে ফতেপুর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা মানদিয়া আদর্শপাড়ার আসাদের পুকুরের পাশে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। মরদেহের মুখসহ শরীরের অর্ধেক অংশ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। পরে এলাকাবাসী ৯৯৯ ফোন দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সাহায্য চান । যশোর পুলিশ  ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরে লাশের ফিঙ্গার প্রিন্ট যাচাই বাছাই করে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে,পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহতের স্বজনদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় মহাসিন সুদের ব্যবসা করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সুদের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে মহাসিনকে প্রতিপক্ষরে হত্যা  করে লাশ ওই স্থানে ফেলে রেখে যায়।