শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া ভূমি অফিসের সেই সহকারী বরখাস্ত

ছবি-সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়ন ভূমি দপ্তরে সেবা নিতে আসা এক ব্যক্তির কাছ থেকে গুনে গুনে ঘুষের টাকা নেওয়ার অভিযোগে কার্যালয়ের সহকারী আবদুল কাদির মিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবদুল কাদির মিয়াকে প্রথমে শোকজ করা হয়েছিল। শোকজের জবাবে তিনি জমি খারিজ করে দেওয়ার পর এক ব্যক্তি তাকে টাকা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে কোনো সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া যায় না।

সম্প্রতি ভূমি অফিসে বসে সেবাগ্রহীতাদের থেকে আব্দুল কাদির মিয়ার ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতা বলছেন, সব খারিজ তো সমান না। গরিব মানুষ, কাজটা করে দিয়ে দেন। উত্তরে আবদুল কাদির বলেন, ‘কথা ছিল ৬ হাজার টাকা দেবেন। কম দিতে পারবেন না। প্রয়োজনে পরে হলেও দিতে হবে। একটা কাজ করে কিছু টাকা পাওয়া না গেলে চলে?’ এরপর টাকাগুলো গুনে পকেটে ভরেন আবদুল কাদির।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না মাইজখাপন ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী আবদুল কাদির মিয়া। ঘুষ না দিলে কাজ তো দূরের কথা সেবা নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথাও বলতে চান না তিনি।

জনপ্রিয়

যথাযোগ্য মর্যাদায় যশোরে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

গুনে গুনে ঘুষ নেওয়া ভূমি অফিসের সেই সহকারী বরখাস্ত

প্রকাশের সময় : ১২:০২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়ন ভূমি দপ্তরে সেবা নিতে আসা এক ব্যক্তির কাছ থেকে গুনে গুনে ঘুষের টাকা নেওয়ার অভিযোগে কার্যালয়ের সহকারী আবদুল কাদির মিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আবদুল কাদির মিয়াকে প্রথমে শোকজ করা হয়েছিল। শোকজের জবাবে তিনি জমি খারিজ করে দেওয়ার পর এক ব্যক্তি তাকে টাকা দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তবে কোনো সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়া যায় না।

সম্প্রতি ভূমি অফিসে বসে সেবাগ্রহীতাদের থেকে আব্দুল কাদির মিয়ার ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, সেবাগ্রহীতা বলছেন, সব খারিজ তো সমান না। গরিব মানুষ, কাজটা করে দিয়ে দেন। উত্তরে আবদুল কাদির বলেন, ‘কথা ছিল ৬ হাজার টাকা দেবেন। কম দিতে পারবেন না। প্রয়োজনে পরে হলেও দিতে হবে। একটা কাজ করে কিছু টাকা পাওয়া না গেলে চলে?’ এরপর টাকাগুলো গুনে পকেটে ভরেন আবদুল কাদির।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না মাইজখাপন ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী আবদুল কাদির মিয়া। ঘুষ না দিলে কাজ তো দূরের কথা সেবা নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথাও বলতে চান না তিনি।