সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গরমে মেঝেতে ঘুমালে শরীরে কী ঘটে?

প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত

তীব্র গরমে প্রাণ অতিষ্ঠ। এমন দিনে একটুর স্বস্তির জন্য আমরা কত কী করি। আরামের নরম বিছানা এই সময়ে অসহ্য মনে হয়। কারণ তীব্র তাপের কারণে বিছানায় ঘুমানো যে মুশকিল হয়ে যায়! তখন ঘুমের জন্য অনেকে বেছে নেন মেঝেকে। মেঝের উপর বালিশ দিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে যান। মেঝের ঠান্ডায় একটু হলেও শরীর জুড়ায়। কিন্তু এতে কি উপকার হয় নাকি ক্ষতি হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক মেঝেতে ঘুমালে শরীরে কী ঘটে-

পিঠে ব্যথা কমে

মেঝেতে ঘুমালে মেরুদণ্ড ভালোভাবে সোজা হয়ে থাকে। এর ফলে যাদের পিঠে ব্যথার মতো সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে উপকার মিলতে পারে। কারণ মেরুদণ্ড সোজা হয়ে থাকলে পিঠে আরাম পাওয়া যায় আর সমস্যাও অনেকটা কমে আসে। সেইসঙ্গে এই অভ্যাসের ফলে কমতে পারে কোমরের ব্যথাও। তাই মেঝেতে ঘুমানোকে মোটেই ক্ষতিকর অভ্যাস বলা যাচ্ছে না।

ঘুমের সমস্যা দূর হয়

গরমের সময়ে অনেকেই অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন। গরমের ফলে বারবার ঘুম ভেঙে যেতে পারে বা ভালোভাবে ঘুম না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে মেঝেতে ঘুমালে আরামে ঘুমানো সম্ভব। ফলে অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়ার সমস্যা অনেকটাই দূর হয়। তাই গরমের সময়ে আপনি মেঝেতে ঘুমাতেই পারেন।

ঘাড়ে ব্যথা কমে

ঘুমের সময় ঘাড় সোজা করে না রাখলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি আকাবাঁকা হয়ে ঘুমান তাহলে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। তবে মেঝেতে ঘুমালে এ ধরনের এই সমস্যা এড়ানো যায়। কারণ এক্ষেত্রে ঘাড় সোজা রাখা সহজ হয়।

রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়

শরীর সুস্থ রাখার জন্য রক্ত সঞ্চালন ভালো হওয়া জরুরি। আপনি যদি মেঝে বা শক্ত জায়গায় ঘুমান তাহলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। তাই মেঝেতে ঘুমালে এমন উপকার পাওয়া যাবে। তবে আপনার যদি ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে মেঝেতে না ঘুমানোই ভালো। আবার অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে মেঝে ভালোভাবে পরিষ্কার করে তারপরই ঘুমাবেন।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

গরমে মেঝেতে ঘুমালে শরীরে কী ঘটে?

প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

তীব্র গরমে প্রাণ অতিষ্ঠ। এমন দিনে একটুর স্বস্তির জন্য আমরা কত কী করি। আরামের নরম বিছানা এই সময়ে অসহ্য মনে হয়। কারণ তীব্র তাপের কারণে বিছানায় ঘুমানো যে মুশকিল হয়ে যায়! তখন ঘুমের জন্য অনেকে বেছে নেন মেঝেকে। মেঝের উপর বালিশ দিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে যান। মেঝের ঠান্ডায় একটু হলেও শরীর জুড়ায়। কিন্তু এতে কি উপকার হয় নাকি ক্ষতি হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক মেঝেতে ঘুমালে শরীরে কী ঘটে-

পিঠে ব্যথা কমে

মেঝেতে ঘুমালে মেরুদণ্ড ভালোভাবে সোজা হয়ে থাকে। এর ফলে যাদের পিঠে ব্যথার মতো সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে উপকার মিলতে পারে। কারণ মেরুদণ্ড সোজা হয়ে থাকলে পিঠে আরাম পাওয়া যায় আর সমস্যাও অনেকটা কমে আসে। সেইসঙ্গে এই অভ্যাসের ফলে কমতে পারে কোমরের ব্যথাও। তাই মেঝেতে ঘুমানোকে মোটেই ক্ষতিকর অভ্যাস বলা যাচ্ছে না।

ঘুমের সমস্যা দূর হয়

গরমের সময়ে অনেকেই অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন। গরমের ফলে বারবার ঘুম ভেঙে যেতে পারে বা ভালোভাবে ঘুম না-ও হতে পারে। এক্ষেত্রে মেঝেতে ঘুমালে আরামে ঘুমানো সম্ভব। ফলে অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়ার সমস্যা অনেকটাই দূর হয়। তাই গরমের সময়ে আপনি মেঝেতে ঘুমাতেই পারেন।

ঘাড়ে ব্যথা কমে

ঘুমের সময় ঘাড় সোজা করে না রাখলে ঘাড় ও পিঠে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি আকাবাঁকা হয়ে ঘুমান তাহলে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। তবে মেঝেতে ঘুমালে এ ধরনের এই সমস্যা এড়ানো যায়। কারণ এক্ষেত্রে ঘাড় সোজা রাখা সহজ হয়।

রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়

শরীর সুস্থ রাখার জন্য রক্ত সঞ্চালন ভালো হওয়া জরুরি। আপনি যদি মেঝে বা শক্ত জায়গায় ঘুমান তাহলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। তাই মেঝেতে ঘুমালে এমন উপকার পাওয়া যাবে। তবে আপনার যদি ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে মেঝেতে না ঘুমানোই ভালো। আবার অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে মেঝে ভালোভাবে পরিষ্কার করে তারপরই ঘুমাবেন।