সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষেতলালে চেয়ারম্যানসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান পদে ১ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ মোট ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারাচ্ছেন। নির্ধারিত প্রদত্ত ভোটের পনের শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন এসব প্রার্থী। গত বুধবার (৮ মে) ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে উপজেলায় প্রদত্ত সর্বমোট ভোটের পনের শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত ফেরত দেওয়া হবে না। সেই জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ মোট ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এই উপজেলায় জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- চেয়ারম্যান পদে “ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী” নাজ্জাসী ইসলাম (১শত ১৫ ভোট)।
এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কলস প্রতীকের প্রার্থী আফিয়া খাতুন গান্ধী (৬ হাজার ৬৩৩ ভোট), ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী রহিমা আক্তার তারা (৩ হাজার ২৫৩ ভোট), পদ্ম ফুল প্রতীকের শামীমা আক্তার বেদেনা (২ হাজার ৪৪৬ ভোট) এবং বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকের খোতেজা বেগম (২ হাজার ১২৯ ভোট)।
এ উপজেলায় মোট ভোটার ৯৪ হাজার ১০ জন। ৩০টি ভোট কেন্দ্রে ভোট পড়েছে চেয়ারম্যান পদে ৬৯ হাজার ৬৫৬টি। যার ১৫ শতাংশ হিসেবে পেতে হবে ১০ হাজার ৪৪৫টি ভোট। যা পাননি একজন প্রার্থী। অপরদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৬৫৬টি। যার ১৫ শতাংশ হিসেবে পেতে হবে ১০ হাজার ৪৪৮টি ভোট। যা পাননি ৪ জন প্রার্থী। এমিলে মোট পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
গত ৮ (মে) বুধবার সকাল ৮ টা হতে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি (দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী) দুলাল মিয়া সরদার ৩০ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাইফুল ইসলাম তালুকদার (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ২২হাজার ৯০০ ভোট।
এছাড়াও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে মতলুব হোসেন (টিউবওয়েল প্রতীক) ২৪ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস.এম তুহিন (তালা প্রতীক) পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৩৬ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুরুনন্নাহার গুন্নাহ (সেলাইমেশিন প্রতীক) ৩৭ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নূরবানু (হাঁস প্রতীক) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৪৫ ভোট।
জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান সৌদি আরবের

ক্ষেতলালে চেয়ারম্যানসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের সময় : ০১:৩২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান পদে ১ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ মোট ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারাচ্ছেন। নির্ধারিত প্রদত্ত ভোটের পনের শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন এসব প্রার্থী। গত বুধবার (৮ মে) ভোটগ্রহণ শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনে উপজেলায় প্রদত্ত সর্বমোট ভোটের পনের শতাংশ ভোট না পেলে তার জামানত ফেরত দেওয়া হবে না। সেই জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জনসহ মোট ৫ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এই উপজেলায় জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- চেয়ারম্যান পদে “ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী” নাজ্জাসী ইসলাম (১শত ১৫ ভোট)।
এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কলস প্রতীকের প্রার্থী আফিয়া খাতুন গান্ধী (৬ হাজার ৬৩৩ ভোট), ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী রহিমা আক্তার তারা (৩ হাজার ২৫৩ ভোট), পদ্ম ফুল প্রতীকের শামীমা আক্তার বেদেনা (২ হাজার ৪৪৬ ভোট) এবং বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকের খোতেজা বেগম (২ হাজার ১২৯ ভোট)।
এ উপজেলায় মোট ভোটার ৯৪ হাজার ১০ জন। ৩০টি ভোট কেন্দ্রে ভোট পড়েছে চেয়ারম্যান পদে ৬৯ হাজার ৬৫৬টি। যার ১৫ শতাংশ হিসেবে পেতে হবে ১০ হাজার ৪৪৫টি ভোট। যা পাননি একজন প্রার্থী। অপরদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৬৫৬টি। যার ১৫ শতাংশ হিসেবে পেতে হবে ১০ হাজার ৪৪৮টি ভোট। যা পাননি ৪ জন প্রার্থী। এমিলে মোট পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
গত ৮ (মে) বুধবার সকাল ৮ টা হতে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি (দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী) দুলাল মিয়া সরদার ৩০ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাইফুল ইসলাম তালুকদার (আনারস প্রতীক) পেয়েছেন ২২হাজার ৯০০ ভোট।
এছাড়াও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে মতলুব হোসেন (টিউবওয়েল প্রতীক) ২৪ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এস.এম তুহিন (তালা প্রতীক) পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৩৬ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুরুনন্নাহার গুন্নাহ (সেলাইমেশিন প্রতীক) ৩৭ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নূরবানু (হাঁস প্রতীক) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৪৪৫ ভোট।