মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে দুই উপজেলায় ভোট আজ

ছবি-সংগৃহীত

যশোরের দুই উপজেলায় বাঘারপাড়া ও অভয়নগরে নির্বাচন আজ। বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করায় ও দলীয় প্রতীক না থাকায় এই দুই উপজেলায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ। বাঘারপাড়া উপজেলায় ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন ও অভয়নগর উপজেলায় দুই প্রার্থীর মধ্যে দুইজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। একইসাথে সবাই স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। যে কারণে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু’উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে।

এদিকে ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি থাকলেও ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সংশয় থাকছেই। বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করায় আওয়ামী লীগের কাছে বিএনপি পরিবারের ভোটারদের গুরুত্ব বেড়ে গেছে দু’উপজেলায়ই। প্রার্থীরা বিএনপি পরিবারের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে গ্রহণ করছেন নানা কৌশল। এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাঘারপাড়া ও শিল্প নগরী অভয়নগর উপজেলায়।

বাঘারপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজী (মোটরসাইকেল), উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রউফ মোল্লা (দোয়াত কলম), উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের বড় ছেলে রাজীব রায় (ঘোড়া), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী (আনারস), বন্দবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাসুম রেজা খান (হেলিকপ্টার) ও জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বাদশা (কাপ পিরিচ)।
অভয়নগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দু’জন আওয়ামী লীগ নেতা।

মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র সরদার অলিয়ার রহমান। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রাজঘাট নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর রবিন অধিকারী ব্যাচা লড়ছেন আনারস প্রতীক নিয়ে।
বাঘারপাড়ায় ভোটের মাঠে ৬ জন প্রার্থী থাকলেও এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তিন প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফরাজী, আব্দুর রউফ মোল্লা ও রাজীব রায়ের মধ্যে। এ তিন প্রার্থীর জয় পরাজয় নির্ধারণ হবে বিএনপি’র ভোটের মাঠে আসা না আসা নিয়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফরাজী ও দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রউফ মোল্লার জয় পরাজয় নির্ভর করছে বিএনপি ঘরানার ভোটারদের উপস্থিতির উপর। এই দুই প্রার্থী চাইছেন বিএনপির ভোটাররা ভোটের মাঠে আসুক। তাদের ভোটের মাঠে আনার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করছেন বিপুল ও রউফ। অন্যদিকে রাজীব রায় চাইছেন বিএনপি ঘরানার ভোটাররা ভোটের মাঠে না আসুক।

অভয়নগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুই বলয়ের দু’জন আওয়ামী লীগ নেতা।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র সরদার অলিয়ার রহমানের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রাজঘাট নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর রবিন অধিকারী ব্যাচা।

অভয়নগর উপজেলার রাজনীতিতে এই দুই নেতা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেন। দুজনেরই রয়েছে নিজস্ব বলয়। সরদার অলিয়ার রহমান স্থানীয় সংসদ সদস্য এনামুল হক বাবুল বলয়ের প্রার্থী। অপরদিকে রবিন অধিকারী ব্যাচা সাবেক সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের অনুসারী বলে প্রচার রয়েছে।

রবিন অধিকারী ব্যাচা বিএনপি ও জামায়াত ঘরানার ভোটারদের ভোটের মাঠে আনতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। পক্ষান্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার ওলিয়ার রহমানের অপেক্ষাকৃত ভরসা আওয়ামী লীগের ভোটেই। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরীক্ষিত এই দুই আওয়ামী লীগ নেতার লড়াই হবে সমানে সমান। খুব সামান্য ভোটে জয় পরাজয় নির্ধারণ হবে বলেও মত তাদের। অভয়নগর উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মোট তিনজন।

ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার মিনারা পারভিন, কলস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লায়লা খাতুন ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ডাক্তার সাফিয়া খাতুন লড়ছেন হাঁস প্রতীক নিয়ে।

এছাড়া এ উপজেলায় (অভয়নগর) পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তারু ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে অভয়নগর উপজেলা গঠিত। দুইজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারসহ

এখানে মোট ভোটার রয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার ৯০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ জন ও মহিলা ভোটার এক লাখ ৯ হাজার ৭৫৩ জন। এখানে কেন্দ্র রয়েছে মোট ৮১ টি।

অন্যদিকে বাঘারপাড়া উপজেলায় সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন, নারিকেলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আসাদুজ্জামান চিশতী (টিউবওয়েল), বাঘারপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল হুসাইন নান্নু (চশমা), পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এনায়েত হোসেন লিটন (মাইক), উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিএম শাহাজালাল (বই), কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য তাওহিদুর রহমান (উড়োজাহাজ) বাঘারপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন (টিয়া) ও জহুরপুর এলাকার আওয়ামীলী নেতা গোলাম ছরোয়ার (তালা)।

এছাড়া নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বিথিকা বিশ্বাস (পদ্মফুল), উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামছুন নাহার লিমা (ফুটবল), ধলগ্রাম ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি রেকসোনা খাতুন (কলস) ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দিলারা জামান (প্রজাপতি)।

একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারসহ বাঘারপাড়া উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে এক লাখ ৮৯ হাজার ৫১১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৫ হাজার ৪০৬ জন ও মহিলা ভোটার ৯৪ হাজার ১০৪ জন। এখানে কেন্দ্র ৭০ টি।

জনপ্রিয়

প্রশাসনে কোন দলের লোক থাকবে না উপদেষ্টা রিজওয়ান হাসান

যশোরে দুই উপজেলায় ভোট আজ

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৫:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

যশোরের দুই উপজেলায় বাঘারপাড়া ও অভয়নগরে নির্বাচন আজ। বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করায় ও দলীয় প্রতীক না থাকায় এই দুই উপজেলায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ। বাঘারপাড়া উপজেলায় ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন ও অভয়নগর উপজেলায় দুই প্রার্থীর মধ্যে দুইজনই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। একইসাথে সবাই স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। যে কারণে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দু’উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে।

এদিকে ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি থাকলেও ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সংশয় থাকছেই। বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করায় আওয়ামী লীগের কাছে বিএনপি পরিবারের ভোটারদের গুরুত্ব বেড়ে গেছে দু’উপজেলায়ই। প্রার্থীরা বিএনপি পরিবারের ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে গ্রহণ করছেন নানা কৌশল। এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাঘারপাড়া ও শিল্প নগরী অভয়নগর উপজেলায়।

বাঘারপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজী (মোটরসাইকেল), উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রউফ মোল্লা (দোয়াত কলম), উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের বড় ছেলে রাজীব রায় (ঘোড়া), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী (আনারস), বন্দবিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাসুম রেজা খান (হেলিকপ্টার) ও জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বাদশা (কাপ পিরিচ)।
অভয়নগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দু’জন আওয়ামী লীগ নেতা।

মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নেমেছেন অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র সরদার অলিয়ার রহমান। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রাজঘাট নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর রবিন অধিকারী ব্যাচা লড়ছেন আনারস প্রতীক নিয়ে।
বাঘারপাড়ায় ভোটের মাঠে ৬ জন প্রার্থী থাকলেও এখানে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তিন প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফরাজী, আব্দুর রউফ মোল্লা ও রাজীব রায়ের মধ্যে। এ তিন প্রার্থীর জয় পরাজয় নির্ধারণ হবে বিএনপি’র ভোটের মাঠে আসা না আসা নিয়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফরাজী ও দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রউফ মোল্লার জয় পরাজয় নির্ভর করছে বিএনপি ঘরানার ভোটারদের উপস্থিতির উপর। এই দুই প্রার্থী চাইছেন বিএনপির ভোটাররা ভোটের মাঠে আসুক। তাদের ভোটের মাঠে আনার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করছেন বিপুল ও রউফ। অন্যদিকে রাজীব রায় চাইছেন বিএনপি ঘরানার ভোটাররা ভোটের মাঠে না আসুক।

অভয়নগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দুই বলয়ের দু’জন আওয়ামী লীগ নেতা।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র সরদার অলিয়ার রহমানের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী রাজঘাট নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর রবিন অধিকারী ব্যাচা।

অভয়নগর উপজেলার রাজনীতিতে এই দুই নেতা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেন। দুজনেরই রয়েছে নিজস্ব বলয়। সরদার অলিয়ার রহমান স্থানীয় সংসদ সদস্য এনামুল হক বাবুল বলয়ের প্রার্থী। অপরদিকে রবিন অধিকারী ব্যাচা সাবেক সংসদ সদস্য রনজিৎ রায়ের অনুসারী বলে প্রচার রয়েছে।

রবিন অধিকারী ব্যাচা বিএনপি ও জামায়াত ঘরানার ভোটারদের ভোটের মাঠে আনতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে। পক্ষান্তরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার ওলিয়ার রহমানের অপেক্ষাকৃত ভরসা আওয়ামী লীগের ভোটেই। তবে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পরীক্ষিত এই দুই আওয়ামী লীগ নেতার লড়াই হবে সমানে সমান। খুব সামান্য ভোটে জয় পরাজয় নির্ধারণ হবে বলেও মত তাদের। অভয়নগর উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মোট তিনজন।

ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার মিনারা পারভিন, কলস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লায়লা খাতুন ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ডাক্তার সাফিয়া খাতুন লড়ছেন হাঁস প্রতীক নিয়ে।

এছাড়া এ উপজেলায় (অভয়নগর) পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান তারু ইতিমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।৮ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে অভয়নগর উপজেলা গঠিত। দুইজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারসহ

এখানে মোট ভোটার রয়েছে দুই লাখ ১৮ হাজার ৯০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ জন ও মহিলা ভোটার এক লাখ ৯ হাজার ৭৫৩ জন। এখানে কেন্দ্র রয়েছে মোট ৮১ টি।

অন্যদিকে বাঘারপাড়া উপজেলায় সাধারণ ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাতজন। তারা হলেন, নারিকেলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আসাদুজ্জামান চিশতী (টিউবওয়েল), বাঘারপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নাজমুল হুসাইন নান্নু (চশমা), পৌর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এনায়েত হোসেন লিটন (মাইক), উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিএম শাহাজালাল (বই), কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য তাওহিদুর রহমান (উড়োজাহাজ) বাঘারপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদিন (টিয়া) ও জহুরপুর এলাকার আওয়ামীলী নেতা গোলাম ছরোয়ার (তালা)।

এছাড়া নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বিথিকা বিশ্বাস (পদ্মফুল), উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামছুন নাহার লিমা (ফুটবল), ধলগ্রাম ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি রেকসোনা খাতুন (কলস) ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দিলারা জামান (প্রজাপতি)।

একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারসহ বাঘারপাড়া উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে এক লাখ ৮৯ হাজার ৫১১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৫ হাজার ৪০৬ জন ও মহিলা ভোটার ৯৪ হাজার ১০৪ জন। এখানে কেন্দ্র ৭০ টি।