শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

প্রতীকী ছবি

সানজিদা নামের এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নিহত গৃহবধূ ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের রাজমিন্ত্রী সোবাহানের স্ত্রী।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতাল ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় গৃহবধূ সানজিদাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন এক নারীসহ কয়েকজন। নাম লেখা হয় আমেনা বেগম। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণার করার পর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় সঙ্গে আসা সবাই। পরে হাসপাতাল থেকে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। তবে হাসপাতালে কোনো স্বজনকে না পেয়ে পুলিশ নিহত গৃহবধূর স্বামী সোবহানের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পায়নি। পরে খবর পেয়ে নিহত সানজিদার স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। নিহতের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

জনপ্রিয়

আলোচনায় থেকেও পরাজিত হলেন যে সব প্রার্থীরা

গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখে পালালো শ্বশুরবাড়ির লোকজন

প্রকাশের সময় : ১১:১১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০২৪

সানজিদা নামের এক গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। নিহত গৃহবধূ ভোলার সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের রাজমিন্ত্রী সোবাহানের স্ত্রী।

বুধবার (১০ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতাল ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় গৃহবধূ সানজিদাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন এক নারীসহ কয়েকজন। নাম লেখা হয় আমেনা বেগম। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণার করার পর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় সঙ্গে আসা সবাই। পরে হাসপাতাল থেকে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। তবে হাসপাতালে কোনো স্বজনকে না পেয়ে পুলিশ নিহত গৃহবধূর স্বামী সোবহানের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পায়নি। পরে খবর পেয়ে নিহত সানজিদার স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী গণমাধ্যমকে জানান, হাসপাতালের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। নিহতের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।