
যশোরে একটি মানব পাচার মামলায় শামীম খান নামে এক ব্যক্তিকে ৫ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছে যশোরের একটি আদালত। সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ ও মানব পাচার দমন ট্রইব্যুনালের বিচারক গোলাম কবির এক রায়ে এ আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত শামীম খান অভয়নগরের গোপীনাথপুর গ্রামের রুহুল খানের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খোন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন মুকুল।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, অভয়নগরের গোপীনাথপুর গ্রামের শামীম খান একই গ্রামের এক যুবতীকে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট ওই যুবতীকে বাড়ি থেকে শামীম ঢাকার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই যুবতীর সাথে পরিবারের সদস্যরা আর কোন যোগাযোগ করতে পরেনি। শামীমের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেও যুবতীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ওই যুবতীর পরিবার জনতে পারে তাকে ঢাকায় না নিয়ে ভারতের পাচার করে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি করে দিয়েছে। এ ঘটনায় ওই যুবতীর বোন বাদী হয়ে ওই বছরে মানব পাচার আইনে মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এ মামলার দীর্ঘ সাক্ষী গ্রহণ শেষে আসামি শামীম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ৫ বছর সশ্রম কারাদ-, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত শামীম খান জামিনে মুক্তি পেয়ে পলাতক রয়েছে।
যশোর অফিস 







































