মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন সরকারের কাছে বাঁধনের যে প্রত্যাশা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪
  • ১০২

ছবি-সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়। নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ১৭ সদস্যের এই অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। আর এই সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আমি খুবই আশাবাদী। বিশ্বাস করেছি ছাত্রদের রূপরেখার ওপর। তবে আমি একজন বাঁধন হিসেবে কী চাই? আমি চাই নারীবান্ধব, বৈষম্যমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি থাকবে না, সুশাসন থাকবে, স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার থাকবে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বাঁধন আরও বলেন, সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে আইনের অনেক কিছুরই পরিবর্তন করতে হবে। তা এই সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ কতটুকু করতে পারবে, জানি না। এ সরকারের কাছে চাওয়া একটা, গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্র যেন পাই। যে দেশে সবাই হবে বাংলাদেশি। সব ধর্মের মানুষগুলোই সমানভাবে সমান অধিকার নিয়ে বাঁচবে।

এই অভিনেত্রী বলেন, রাষ্ট্রকাঠামোতে যেসব জায়গায় পচন ধরেছে, সেগুলো এই সরকার সংস্কার করবে বলে প্রত্যাশা করি। এই অন্তর্বর্তী সরকারে যারা আছেন, তাদের অনেককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তারা সৎ মানুষ। আমি নিশ্চিত, তারা পারবেন। আরও আশাবাদী, আমাদের দুজন ছাত্র এই উপদেষ্টামণ্ডলীতে আছেন।

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন বাঁধন। ফেসবুকে একের পর এক স্ট্যাটাস দেওয়ার পাশাপাশি সক্রিয় ছিলেন রাজপথেও। কখনও ফার্মগেট, কখনও শাহবাগ আবার কখনও বা শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মিছিলে দেখা গেছে তাকে।

জনপ্রিয়

অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে শ্রীলঙ্কা সুপার এইটে

নতুন সরকারের কাছে বাঁধনের যে প্রত্যাশা

প্রকাশের সময় : ০২:১২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অগাস্ট ২০২৪

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোপের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়। নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে ১৭ সদস্যের এই অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। আর এই সরকারের কাছে অনেক প্রত্যাশা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের।

গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আমি খুবই আশাবাদী। বিশ্বাস করেছি ছাত্রদের রূপরেখার ওপর। তবে আমি একজন বাঁধন হিসেবে কী চাই? আমি চাই নারীবান্ধব, বৈষম্যমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি থাকবে না, সুশাসন থাকবে, স্বাধীনতা, কথা বলার অধিকার থাকবে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বাঁধন আরও বলেন, সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে আইনের অনেক কিছুরই পরিবর্তন করতে হবে। তা এই সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ কতটুকু করতে পারবে, জানি না। এ সরকারের কাছে চাওয়া একটা, গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্র যেন পাই। যে দেশে সবাই হবে বাংলাদেশি। সব ধর্মের মানুষগুলোই সমানভাবে সমান অধিকার নিয়ে বাঁচবে।

এই অভিনেত্রী বলেন, রাষ্ট্রকাঠামোতে যেসব জায়গায় পচন ধরেছে, সেগুলো এই সরকার সংস্কার করবে বলে প্রত্যাশা করি। এই অন্তর্বর্তী সরকারে যারা আছেন, তাদের অনেককে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তারা সৎ মানুষ। আমি নিশ্চিত, তারা পারবেন। আরও আশাবাদী, আমাদের দুজন ছাত্র এই উপদেষ্টামণ্ডলীতে আছেন।

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই সরব ছিলেন বাঁধন। ফেসবুকে একের পর এক স্ট্যাটাস দেওয়ার পাশাপাশি সক্রিয় ছিলেন রাজপথেও। কখনও ফার্মগেট, কখনও শাহবাগ আবার কখনও বা শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সঙ্গে মিছিলে দেখা গেছে তাকে।