সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাবের পানির উপকারিতা

ছবি-সংগৃহীত

গরমে স্বস্তি পেতে ডাবের পানির কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অনেকেরই তীব্র গরমের পাশাপাশি শীতের সময়গুলোতেও ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, গরম কিংবা শীত, যেকোনো আবহাওয়াতেই ডাবের পানি খেলে শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে ডাবের পানি পান করা বিশেষ উপকারী। কারণ তীব্র গরমে ত্বকে ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতি দেখা দিলে তা দ্রুত পূরণ করতে পারে ডাবের পানি।

ডাবের পানির উপকারিতা

শুধু তাই নয়, রক্তে ক্ষতিকারক গ্লুকোজ এবং কোলেস্টরলের পরিমাণ কমাতে পারে এ পানীয়। নিয়মিত এ পানীয় খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম, মিনারেল ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। আপনি জানলে অবাক হবেন, ইউরিন ইনফেকশনে দারুণ কার্যকর ডাবের পানি।
শীতেও ডাবের পানি খাওয়ার অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমের তুলনায় শীতে হজমশক্তি কম থাকে। তাই এসময় হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য খেতে পারেন ডাবের পানি। এ পানি ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
 
শীতে ত্বকের নাজুক অবস্থা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই ত্বকের পরিচর্যাতেও খেতে পারেন ডাবের পানি। কারণ ডাবের পানি ত্বকের কোষকে পুনর্জীবিত করতে সাহায্য করে। ত্বককে মসৃণ করতে এর জুড়ি নেই বললেই চলে। ত্বকের দাগ দূর করার পাশাপাশি রোদে পোড়া ভাব আর ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে ডাবের পানির বিকল্প নেই।
 
পুষ্টিবিদরা বলছেন, গরমের সময়ের পাশাপাশি শীতেও ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস জরুরী। কারণ হিসেবে তারা বলেন, ডাবের পানিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ ও জিংক। যা শীত কিংবা গরম দুই ঋতুতেই প্রয়োজনীয়।
 
তবে ডাবের পানি খাওয়ার ক্ষেত্রেও মানতে হবে কিছু সতর্কতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যদি কেউ অ্যালার্জি, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হন তবে সে সময় ডাবের পানি পান করাটা নিরাপদ নয়। এতে শারীরিক জটিলতা কমবে না বরং বাড়বে।
জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান সৌদি আরবের

ডাবের পানির উপকারিতা

প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

গরমে স্বস্তি পেতে ডাবের পানির কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অনেকেরই তীব্র গরমের পাশাপাশি শীতের সময়গুলোতেও ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু আপনি কি জানেন, গরম কিংবা শীত, যেকোনো আবহাওয়াতেই ডাবের পানি খেলে শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে ডাবের পানি পান করা বিশেষ উপকারী। কারণ তীব্র গরমে ত্বকে ডিহাইড্রেশন বা পানির ঘাটতি দেখা দিলে তা দ্রুত পূরণ করতে পারে ডাবের পানি।

ডাবের পানির উপকারিতা

শুধু তাই নয়, রক্তে ক্ষতিকারক গ্লুকোজ এবং কোলেস্টরলের পরিমাণ কমাতে পারে এ পানীয়। নিয়মিত এ পানীয় খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম, মিনারেল ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। আপনি জানলে অবাক হবেন, ইউরিন ইনফেকশনে দারুণ কার্যকর ডাবের পানি।
শীতেও ডাবের পানি খাওয়ার অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরমের তুলনায় শীতে হজমশক্তি কম থাকে। তাই এসময় হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য খেতে পারেন ডাবের পানি। এ পানি ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
 
শীতে ত্বকের নাজুক অবস্থা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই ত্বকের পরিচর্যাতেও খেতে পারেন ডাবের পানি। কারণ ডাবের পানি ত্বকের কোষকে পুনর্জীবিত করতে সাহায্য করে। ত্বককে মসৃণ করতে এর জুড়ি নেই বললেই চলে। ত্বকের দাগ দূর করার পাশাপাশি রোদে পোড়া ভাব আর ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে ডাবের পানির বিকল্প নেই।
 
পুষ্টিবিদরা বলছেন, গরমের সময়ের পাশাপাশি শীতেও ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস জরুরী। কারণ হিসেবে তারা বলেন, ডাবের পানিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ ও জিংক। যা শীত কিংবা গরম দুই ঋতুতেই প্রয়োজনীয়।
 
তবে ডাবের পানি খাওয়ার ক্ষেত্রেও মানতে হবে কিছু সতর্কতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যদি কেউ অ্যালার্জি, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হন তবে সে সময় ডাবের পানি পান করাটা নিরাপদ নয়। এতে শারীরিক জটিলতা কমবে না বরং বাড়বে।