
চলচ্চিত্রপাড়ায় চাউর হয়েছে বেশ কিছুদিন মাহিয়া মাহির হাতে নতুন ছবি নেই। তাই সে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বাসায় অলস সময় কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে।এদিকে কয়েক দিন আগে এক দিনের জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন মাহিয়া মাহি।
কোন দেশ সেটা জানাতে চাননি। বান্ধবীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে দেড় ঘণ্টা কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন ‘অগ্নি’কন্যা। তবে সেটা নিয়ে মোটেও বিরক্ত হননি; বরং উপভোগ করেছেন। মাহি বলেন, ‘এখন দেশ একটা বিশেষ সময় পার করছে। এই সময়ে অনেকের বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে। আমি সেই তালিকার কেউ কি না সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই এই জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য প্রথম থেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন মাহি। এরই মধ্যে তার পক্ষ থেকে ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন ত্রাণ তহবিলে নগদ টাকাও দিয়েছেন তিনি। মাহি বলেন, ‘সব সময় মেনে এসেছি, সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে’। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী বন্যার্তদের পাশে থেকেছি। অনেক বন্ধুকেও সহযোগিতা করতে বলেছি। ফারিশ (সন্তান) ছোট না থাকলে হয়তো নিজেই হাজির হতাম বন্যাদুর্গত এলাকায়।
জানা গেছে, মাহি নিজেই অপেক্ষায় আছেন শুটিংয়ে ফেরার। তবে সেটা যে দু-এক মাসের মধ্যে হবে না-ভালো করেই জানেন। মাহি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পেয়েছে এখনো এক মাস হয়নি। তাদের সব কিছু গুছিয়ে উঠতে সময় লাগবে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বন্যা। এই পরিস্থিতি সামলাতেও দেরি হবে। দেশের এই পরিস্থিতিতে কেউ বিনোদনের দিকে নজর দেবে বলে মনে হয় না। কোনো প্রযোজক লগ্নি করবেন কি না সেটা নিয়েও আমি সন্দিহান। আমি যে অঙ্গনটিতে কাজ করি, সেই চলচ্চিত্র এখন ক্রান্তিলগ্নে। আশা করব, নতুন সরকার এই অঙ্গনটাকে প্রাধান্য দেবে। কারণ শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশ না ঘটলে তো জাতির উন্নতিও আশা করা যায় না।
বিনোদন ডেস্ক 







































