বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে মন্দিরে আবারও ১৪৪ ধারা জারি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকায় শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরে আবারও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সোমবার এ আদেশ দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বেলায়েত হোসেন।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের জমির দখল নিয়ে হিন্দুধর্মের সনাতন ও ইসকন অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে অনুসারীদের সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসকনভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামের একজন সনাতন ধর্ম অনুসারী নিহত হন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন মন্দির সিলগালা করে কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।
এ বছর শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীরা মন্ডপে শারদয়ি দুর্গাপূজা প্রস্তুতিতে পূর্বের ন্যায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে ৭ অক্টোবর ভোর ৬টা থেকে ১৩ অক্টোবর রাত ১২ টা পর্যন্ত মন্দির ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম ও সেনাবাহনীর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ওই মন্দিরের জমি নিয়ে স্থানীয় সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ২০০৯ সালে এখানে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। শারদীয় পূজা উদযাপনে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং আইন শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে চায়, পেছনের দরজা দিয়ে নয়: ডা. শাহাদাত 

ঠাকুরগাঁওয়ে মন্দিরে আবারও ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশের সময় : ০৩:৩২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকায় শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরে আবারও ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সোমবার এ আদেশ দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বেলায়েত হোসেন।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের জমির দখল নিয়ে হিন্দুধর্মের সনাতন ও ইসকন অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে অনুসারীদের সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসকনভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামের একজন সনাতন ধর্ম অনুসারী নিহত হন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন মন্দির সিলগালা করে কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নেয়।
এ বছর শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীরা মন্ডপে শারদয়ি দুর্গাপূজা প্রস্তুতিতে পূর্বের ন্যায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে ৭ অক্টোবর ভোর ৬টা থেকে ১৩ অক্টোবর রাত ১২ টা পর্যন্ত মন্দির ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম ও সেনাবাহনীর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ওই মন্দিরের জমি নিয়ে স্থানীয় সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ২০০৯ সালে এখানে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। শারদীয় পূজা উদযাপনে আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এবং আইন শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।