বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলোচিত সন্ত্রাসী কোপা শামসু কারাগারে

ছবি-সংগৃহীত

র‌্যাব অভিযান চালিয়ে মাদারীপুরে আলোচিত সন্ত্রাসী ১২ মামলার আসামি শামসুল সরদার ওরফে কোপা শামসুকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুর সদর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব ৮–এর মাদারীপুরের ক্যাম্প কমান্ডার মীর মনির হোসেন বলেন, শামসুল দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য জেলাজুড়ে তিনি আলোচিত। সম্প্রতি একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে তাকে র‌্যাবের চৌকস একটি দল অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড় মেহের এলাকায় মৃত হাসেম ফকিরের ছেলে মোনাচ্ছের ফকিরের দোচালা টিনের ঘরে বিস্ফোরক দ্রব্য হাতবোমা (ককটেল) প্লাস্টিকের ব্যাগে রেখে যান শামসু ও তার লোকজন। পরে ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেই হাতবোমাটি মোনাচ্ছের ফকিরের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় শামসুলের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর থানায় মামলা হয়। এরপর থেকেই তিনি পলাতক। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন, ডাকাতি মামলাসহ ১২টি মামলা আছে।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শার্শার নাভারণে দোয়া মাহফিল

আলোচিত সন্ত্রাসী কোপা শামসু কারাগারে

প্রকাশের সময় : ১২:৪২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

র‌্যাব অভিযান চালিয়ে মাদারীপুরে আলোচিত সন্ত্রাসী ১২ মামলার আসামি শামসুল সরদার ওরফে কোপা শামসুকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুর সদর থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‌্যাব ৮–এর মাদারীপুরের ক্যাম্প কমান্ডার মীর মনির হোসেন বলেন, শামসুল দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য জেলাজুড়ে তিনি আলোচিত। সম্প্রতি একটি বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয় লোকজন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে তাকে র‌্যাবের চৌকস একটি দল অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের বড় মেহের এলাকায় মৃত হাসেম ফকিরের ছেলে মোনাচ্ছের ফকিরের দোচালা টিনের ঘরে বিস্ফোরক দ্রব্য হাতবোমা (ককটেল) প্লাস্টিকের ব্যাগে রেখে যান শামসু ও তার লোকজন। পরে ৩০ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে সেই হাতবোমাটি মোনাচ্ছের ফকিরের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় শামসুলের বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর থানায় মামলা হয়। এরপর থেকেই তিনি পলাতক। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতন, ডাকাতি মামলাসহ ১২টি মামলা আছে।