মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতের পতিতালয়ে স্ত্রীকে বিক্রি, ফিরিয়ে আনলো পিবিআই

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪
  • ১০৯

প্রতীকী ছবি

যশোরের অভয়নগরের বনগ্রামের শাহাজাহান সরদারের ছেলে নাজমুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয়েছিলো বাধারপাড়া উপজেলার এক নারীর। লোভী নাজমুল সুখের সংসার ফেলে স্ত্রীকে কৌশলে ভারতের মুুম্বাই শহরের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছিলো। পরে ওই নারীর পরিবার আদালতে মামলা করলে পিবিআই এর তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে পিবিআই এর প্রচেষ্টায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ওই নারীকে। আজ বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে এসব ঘটনার বর্ননা দেন। পরে বিচারক তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

পিবিআই পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন জানান, নাজমুলের সাথে ৭-৮ বছর আগে ভিকটিমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটা সন্তানও রয়েছে। তিনবছর আগে  নাজমুল তার স্ত্রীকে প্রলোভন দেখায় মুম্বাই যেয়ে দুজনেই চাকরি করবেন। ভালো টাকা উপার্জন করবে। এই লোভে স্ত্রী চলে যায় স্বামীর হাত ধরে। কিন্তু নাজমুল কৌশলে মুম্বাইয়ের একটি পতিতালয়ে স্ত্রীকে বিক্রি করে বাংলাদেশে চলে আসেন। পরে নানা ধরণের কথাবার্তা বলতে থাকে ওই মেয়ের পরিবারকে। একপর্যায় মেয়ের পরিবারের পক্ষথেকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করে আদালতে। যার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। এসআই হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা পায়। একই সাথে পিবিআই এর পক্ষথেকে মানবপাচার প্রতিরোধে কাজ করে এমন এনজিওর সাথে যোগাযোগ শুরু করে। শেষমেষ সার্থক হয়। ওই নারীকে দেশে এনে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি সব ঘটনা খুলে বলেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, দ্রুতই পিবিআই নাজমুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে  তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।

জনপ্রিয়

ওবায়দুল কাদেরের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন

ভারতের পতিতালয়ে স্ত্রীকে বিক্রি, ফিরিয়ে আনলো পিবিআই

প্রকাশের সময় : ১০:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

যশোরের অভয়নগরের বনগ্রামের শাহাজাহান সরদারের ছেলে নাজমুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয়েছিলো বাধারপাড়া উপজেলার এক নারীর। লোভী নাজমুল সুখের সংসার ফেলে স্ত্রীকে কৌশলে ভারতের মুুম্বাই শহরের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দিয়েছিলো। পরে ওই নারীর পরিবার আদালতে মামলা করলে পিবিআই এর তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে পিবিআই এর প্রচেষ্টায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ওই নারীকে। আজ বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে এসব ঘটনার বর্ননা দেন। পরে বিচারক তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

পিবিআই পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন জানান, নাজমুলের সাথে ৭-৮ বছর আগে ভিকটিমের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে একটা সন্তানও রয়েছে। তিনবছর আগে  নাজমুল তার স্ত্রীকে প্রলোভন দেখায় মুম্বাই যেয়ে দুজনেই চাকরি করবেন। ভালো টাকা উপার্জন করবে। এই লোভে স্ত্রী চলে যায় স্বামীর হাত ধরে। কিন্তু নাজমুল কৌশলে মুম্বাইয়ের একটি পতিতালয়ে স্ত্রীকে বিক্রি করে বাংলাদেশে চলে আসেন। পরে নানা ধরণের কথাবার্তা বলতে থাকে ওই মেয়ের পরিবারকে। একপর্যায় মেয়ের পরিবারের পক্ষথেকে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করে আদালতে। যার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। এসআই হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা পায়। একই সাথে পিবিআই এর পক্ষথেকে মানবপাচার প্রতিরোধে কাজ করে এমন এনজিওর সাথে যোগাযোগ শুরু করে। শেষমেষ সার্থক হয়। ওই নারীকে দেশে এনে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি সব ঘটনা খুলে বলেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, দ্রুতই পিবিআই নাজমুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে  তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।