বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইনস্টাগ্রাম এখন পর্ন সাইট হয়ে গিয়েছে: নেহা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪
  • ১১২

ছবি-সংগৃহীত

বলিউডের আলোচিত গায়িকা নেহা ভাসিন সম্প্রতি তার নতুন গান, ‘তু জানতা হে’ প্রকাশের সময় অনলাইন ট্রোলিং এবং বডি শেমিং- এর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন তিনি।  নিজের ৪২ তম জন্মদিনে নেহা তার নতুন গানের লাঞ্চিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে পাপারাজ্জিদের সমালোচনায় নিজের কঠিন সময়ের কথা শেয়ার করেন এই শিল্পী।

তিনি বলেন, তখন ততোটাও ফেমাস হইনি আমি। সেই সময় আমার ছবি তুলে ‘কে বলুন তো?’ ক্যাপশন দিয়ে পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঘটনাগুলি ভীষণভাবে মানসিক দিক থেকে প্রভাবিত করেছিল আমাকে।

গায়িকা বলেন, আমি হাইপার পজিটিভ ব্যক্তি নই। এই জিনিসগুলো আমার ভীষণ খারাপ লেগেছিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। ইনস্টাগ্রাম এখন পর্ন হাবে পরিণত হয়ে গেছে। তবে এমন হওয়া একেবারেই উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিকগুলোকে তুলে ধরা উচিত, অনেক বেশি ভারসাম্য রাখা উচিত মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। তবে সবকিছু ভালো হবে।

পেশাগত উত্থান পতনের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কখনও কখনও মনে হয়েছে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব। কখনও আবার মনে হয়েছিল, সবাইকে প্রমাণ করে দেখাতে হবে নিজেকে। সবকিছু মিলিয়ে একটি রোলারকোস্টার হয়ে গিয়েছিল আমার জীবন। আপনি যদি ১০ থেকে ১৫ বছর আগে আমাকে জিজ্ঞাসা করতেন, আমি কি করতে চাই জীবনে? আমার থেকে অন্যরকম উত্তর পেতেন আপনি। তবে এখন আমি জানি, আমাকে কী করতে হবে।

সংগীত জগতের যাত্রার কথা মনে করে তিনি বলেন, প্রথমে সিডি বিক্রি করে আমি নিজের যাত্রা শুরু করেছিলাম। ধীরে ধীরে রেডিও স্টেশন দিয়ে কাজ শুরু করি। অনেক প্রতিকূলতা সম্মুখীন হয়ে অবশেষে সফলতার মুখ দেখেছিলাম।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শার্শার নাভারণে দোয়া মাহফিল

ইনস্টাগ্রাম এখন পর্ন সাইট হয়ে গিয়েছে: নেহা

প্রকাশের সময় : ১১:৪১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

বলিউডের আলোচিত গায়িকা নেহা ভাসিন সম্প্রতি তার নতুন গান, ‘তু জানতা হে’ প্রকাশের সময় অনলাইন ট্রোলিং এবং বডি শেমিং- এর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন তিনি।  নিজের ৪২ তম জন্মদিনে নেহা তার নতুন গানের লাঞ্চিং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানে পাপারাজ্জিদের সমালোচনায় নিজের কঠিন সময়ের কথা শেয়ার করেন এই শিল্পী।

তিনি বলেন, তখন ততোটাও ফেমাস হইনি আমি। সেই সময় আমার ছবি তুলে ‘কে বলুন তো?’ ক্যাপশন দিয়ে পোস্ট করা হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই ঘটনাগুলি ভীষণভাবে মানসিক দিক থেকে প্রভাবিত করেছিল আমাকে।

গায়িকা বলেন, আমি হাইপার পজিটিভ ব্যক্তি নই। এই জিনিসগুলো আমার ভীষণ খারাপ লেগেছিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। ইনস্টাগ্রাম এখন পর্ন হাবে পরিণত হয়ে গেছে। তবে এমন হওয়া একেবারেই উচিত নয়। সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিকগুলোকে তুলে ধরা উচিত, অনেক বেশি ভারসাম্য রাখা উচিত মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। তবে সবকিছু ভালো হবে।

পেশাগত উত্থান পতনের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘কখনও কখনও মনে হয়েছে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব। কখনও আবার মনে হয়েছিল, সবাইকে প্রমাণ করে দেখাতে হবে নিজেকে। সবকিছু মিলিয়ে একটি রোলারকোস্টার হয়ে গিয়েছিল আমার জীবন। আপনি যদি ১০ থেকে ১৫ বছর আগে আমাকে জিজ্ঞাসা করতেন, আমি কি করতে চাই জীবনে? আমার থেকে অন্যরকম উত্তর পেতেন আপনি। তবে এখন আমি জানি, আমাকে কী করতে হবে।

সংগীত জগতের যাত্রার কথা মনে করে তিনি বলেন, প্রথমে সিডি বিক্রি করে আমি নিজের যাত্রা শুরু করেছিলাম। ধীরে ধীরে রেডিও স্টেশন দিয়ে কাজ শুরু করি। অনেক প্রতিকূলতা সম্মুখীন হয়ে অবশেষে সফলতার মুখ দেখেছিলাম।