শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরখাস্ত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইওল

ছবি-সংগৃহীত

অভিশংসিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল।  শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।

সামরিক আইন জারি করার কারণে আজ শনিবার পার্লামেন্টের ভোটে ইউনকে অভিশংসিত করেন আইন-প্রণেতারা। ৩০০ সাংসদের মধ্যে ২০৪ জনই প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের পক্ষে এবং ৮৫ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনজন অবশ্য ভোটদানে বিরত ছিলেন। আর বাতিল হয়েছে আটটি ভোট।

তবে প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা ও রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে তার যে ক্ষমতা ছিল তা কেড়ে নেওয়া সত্ত্বেও সাংবিধানিক আদালত তার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ না করা পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকবেন ইউন। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান, আইন ও প্রটোকল নির্দেশিকা অনুযায়ী, কিছু ক্ষমতা হারালেও ইউনের কিছু ক্ষমতা বজায় থাকবে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইউনের প্রধান সাংবিধানিক ক্ষমতা অন্তর্বর্তীকালীন নেতা প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফলে দেশের কূটনৈতিক চুক্তি, কূটনৈতিক নিয়োগ এবং পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও একত্রীকরণ বিষয়ক জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে গণভোটে দেওয়ার অধিকার এখন থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট সংরক্ষণ করবেন।

জনপ্রিয়

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন আর ‘না’ দিলে কী পাবেন না

বরখাস্ত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইওল

প্রকাশের সময় : ১১:১০:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

অভিশংসিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল।  শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করার আদেশ জারি করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।

সামরিক আইন জারি করার কারণে আজ শনিবার পার্লামেন্টের ভোটে ইউনকে অভিশংসিত করেন আইন-প্রণেতারা। ৩০০ সাংসদের মধ্যে ২০৪ জনই প্রেসিডেন্টের অভিশংসনের পক্ষে এবং ৮৫ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনজন অবশ্য ভোটদানে বিরত ছিলেন। আর বাতিল হয়েছে আটটি ভোট।

তবে প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা ও রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে তার যে ক্ষমতা ছিল তা কেড়ে নেওয়া সত্ত্বেও সাংবিধানিক আদালত তার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ না করা পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকবেন ইউন। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবিধান, আইন ও প্রটোকল নির্দেশিকা অনুযায়ী, কিছু ক্ষমতা হারালেও ইউনের কিছু ক্ষমতা বজায় থাকবে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইউনের প্রধান সাংবিধানিক ক্ষমতা অন্তর্বর্তীকালীন নেতা প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সুর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফলে দেশের কূটনৈতিক চুক্তি, কূটনৈতিক নিয়োগ এবং পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও একত্রীকরণ বিষয়ক জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে গণভোটে দেওয়ার অধিকার এখন থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট সংরক্ষণ করবেন।