বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অর্থপাচার মামলায় পি কে হালদারের জামিন

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১২৮

ছবি-সংগৃহীত

কলকাতার একটি আদালত—বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থপাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) তিনজনকে জামিন দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) ব্যাঙ্কশাল কোর্টের অন্তর্গত নগর দায়রা আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

পি কে হালদারের সঙ্গে জামিন পেয়েছেন স্বপন কুমার মিস্ত্রি ও উত্তম কুমার মিস্ত্রি। প্রত্যেককে ১০ লাখ রুপির বিনিময়ে জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। একইসঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়েছে, মামলা চলাকালীন তাদের আদালতে হাজিরা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে রাজ্য বা দেশ ত্যাগ করা যাবে না।

এদিকে এর আগে গত ২৭ নভেম্বর জামিন পেয়েছিলেন পি কে হালদারের ভাই প্রানেশ হালাদার, আমিনা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদার ও ইমন হোসেন।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বৈদিক ভিলেজ থেকে হালদারদের গ্রেপ্তার করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এরপর থেকে দেশটিতেই বন্দি হালদাররা। প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২ অর্থাৎ অবৈধভাবে অর্থপাচার এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। পি কে হালদারসহ পাঁচ পুরুষ সহযোগীকে রাখা হয়েছিল কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে। নারী সহযোগী আমিনা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদারকে রাখা হয়েছিল কলকাতার আলিপুর সংশোধনাগারে।

এর আগে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

জনপ্রিয়

তাইওয়ানে মার্কিন এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

অর্থপাচার মামলায় পি কে হালদারের জামিন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

কলকাতার একটি আদালত—বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থপাচারে অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) তিনজনকে জামিন দিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) ব্যাঙ্কশাল কোর্টের অন্তর্গত নগর দায়রা আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

পি কে হালদারের সঙ্গে জামিন পেয়েছেন স্বপন কুমার মিস্ত্রি ও উত্তম কুমার মিস্ত্রি। প্রত্যেককে ১০ লাখ রুপির বিনিময়ে জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। একইসঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়েছে, মামলা চলাকালীন তাদের আদালতে হাজিরা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে রাজ্য বা দেশ ত্যাগ করা যাবে না।

এদিকে এর আগে গত ২৭ নভেম্বর জামিন পেয়েছিলেন পি কে হালদারের ভাই প্রানেশ হালাদার, আমিনা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদার ও ইমন হোসেন।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১৪ মে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বৈদিক ভিলেজ থেকে হালদারদের গ্রেপ্তার করে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এরপর থেকে দেশটিতেই বন্দি হালদাররা। প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২ অর্থাৎ অবৈধভাবে অর্থপাচার এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। পি কে হালদারসহ পাঁচ পুরুষ সহযোগীকে রাখা হয়েছিল কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে। নারী সহযোগী আমিনা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদারকে রাখা হয়েছিল কলকাতার আলিপুর সংশোধনাগারে।

এর আগে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।