
সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনগত যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
সম্প্রতি এবিসি নিউজ ও দে ময়েনে রেজিস্টারের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের মামলার পর সংবাদমাধ্যমের প্রতি তার আইনি যুদ্ধের ইঙ্গিত পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা। ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের পর এ পরিস্থিতি আরও ভীতিকর হওয়ার আশংকা করছেন তারা।
এভাবে সংবাদকর্মীরা ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ খবর প্রকাশ করতে অনাগ্রহী হয়ে পড়বে বলেও মত তাদের।
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের উপস্থাপক জর্জ স্টেফানোপোলস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে ‘ধর্ষণের অভিযোগ’ হিসেবে উপস্থাপন করায় মামলা করেছিলেন ট্রাম্প।
এরই প্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে ট্রাম্পকে আদালত-বহির্ভূত সমঝোতার প্রস্তাব দেয় এবিসি কর্তৃপক্ষ। মামলা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পেয়েছেন ট্রাম্প।
অন্যদিকে পৃথক মামলায় দে ময়েনে রেজিস্টারকেও আক্রমণ করেছেন এই রিপাবলিকান।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘দেখুন, আইনি কার্যক্রম বেশ ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। কিন্তু দেশের মিডিয়াকে একটু শিক্ষা দেওয়া ছাড়া উপায় দেখছি না।
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যের পর সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাহরণের আশংকা করছেন আইনবিশেষজ্ঞরা।
এ বিষয়ে আইনজীবী রনিল অ্যান্ডারসন বলেন, ‘আইনি জটিলতার ভয়ে সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশে আগ্রহ পাবেন না। এবিসি নিউজকে জরিমানা দিতে বাধ্য করার ঘটনাকে সংবাদমাধ্যমের ‘পিঠে কিল মারা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এনবিসি নিউজের সাংবাদিক চাক টড।
আইনের অধ্যাপক ডেভিড কোরজেনিক সংবাদমাধ্যমের প্রতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধাবস্থানের বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
এ ছাড়া রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে আত্মসমর্পণ করলে সংবাদমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা কমে যাবে , জানান বিশ্লেষক লিলিয়ানা ম্যাসন। সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





































