শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২২ বছর পর গুয়ানতানামো বে কারাগার থেকে বন্দিকে তিউনিসিয়ায় ফেরত

প্রতীকী ছবি। ছবি-সংগৃহীত

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন ঘোষণা করেছে যে, গুয়ানতানামো বে কারাগার থেকে তিউনিসিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে বন্দী রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদিকে। ২০০২ সালে গুয়ানতানামো বে খোলার পর থেকেই তিনি সেখানে আটক ছিলেন। তার এই স্থানান্তর দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার পর সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার(৩১ ডিসেম্বর)পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, ৫৯ বছর বয়সী রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদি, যিনি ২০০২ সালের জানুয়ারি ১১ তারিখ থেকে গুয়ানতানামো বে-তে ছিলেন, তাকে তিউনিসিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। আল-ইয়াজিদি একজন আল-কায়দা সদস্য হিসেবে পরিচিত। তার স্থানান্তর ২০০৯ সালে জারি করা কার্যনির্বাহী আদেশ ( এক্সিকিউটিভ অর্ডার) ১৩৪৯২ অনুযায়ী কঠোর পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে, যা বন্দীদের স্থানান্তরের যোগ্যতা নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্তে সহায়তা করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন, যিনি কংগ্রেসকে তার পরিকল্পনার ব্যাপারে অবহিত করেছিলেন।

রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদি গুয়ানতানামো বে-র প্রথমদিকের বন্দীদের প্রায় ২২ বছর ধরে সেখানে আটক ছিলেন। তাকে আল-কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার স্থানান্তর মার্কিন সরকারী পরিকল্পনার অংশ, যার উদ্দেশ্য গুয়ানতানামো বে-তে বন্দীর সংখ্যা কমানো। বর্তমানে গুয়ানতানামো বে-তে ২৬ জন বন্দী রয়েছে, যার মধ্যে ১৪ জন স্থানান্তরের জন্য যোগ্য। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এটি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সঙ্গতিপূর্ণ।

আল-ইয়াজিদির স্থানান্তর গুয়ানতানামো বে-র বন্দীশালা বন্ধ করার প্রক্রিয়ার আরেকটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বছরের পর বছর ধরে আলোচনার বিষয়। আল-ইয়াজিদি সহ অন্যান্য বন্দীদের স্থানান্তরের মাধ্যমে মার্কিন সরকার গুয়ানতানামো বে-র আইনি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত জটিল বিষয়গুলি সমাধান করার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জনপ্রিয়

আমি অনেক আগে থেকেই বেগম জিয়ার ভক্ত ছিলাম: আসিফ নজরুল

২২ বছর পর গুয়ানতানামো বে কারাগার থেকে বন্দিকে তিউনিসিয়ায় ফেরত

প্রকাশের সময় : ০১:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন ঘোষণা করেছে যে, গুয়ানতানামো বে কারাগার থেকে তিউনিসিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে বন্দী রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদিকে। ২০০২ সালে গুয়ানতানামো বে খোলার পর থেকেই তিনি সেখানে আটক ছিলেন। তার এই স্থানান্তর দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার পর সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার(৩১ ডিসেম্বর)পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, ৫৯ বছর বয়সী রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদি, যিনি ২০০২ সালের জানুয়ারি ১১ তারিখ থেকে গুয়ানতানামো বে-তে ছিলেন, তাকে তিউনিসিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। আল-ইয়াজিদি একজন আল-কায়দা সদস্য হিসেবে পরিচিত। তার স্থানান্তর ২০০৯ সালে জারি করা কার্যনির্বাহী আদেশ ( এক্সিকিউটিভ অর্ডার) ১৩৪৯২ অনুযায়ী কঠোর পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে, যা বন্দীদের স্থানান্তরের যোগ্যতা নির্ধারণ করে। এই সিদ্ধান্তে সহায়তা করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন, যিনি কংগ্রেসকে তার পরিকল্পনার ব্যাপারে অবহিত করেছিলেন।

রিদাহ বিন সালেহ আল-ইয়াজিদি গুয়ানতানামো বে-র প্রথমদিকের বন্দীদের প্রায় ২২ বছর ধরে সেখানে আটক ছিলেন। তাকে আল-কায়দার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার স্থানান্তর মার্কিন সরকারী পরিকল্পনার অংশ, যার উদ্দেশ্য গুয়ানতানামো বে-তে বন্দীর সংখ্যা কমানো। বর্তমানে গুয়ানতানামো বে-তে ২৬ জন বন্দী রয়েছে, যার মধ্যে ১৪ জন স্থানান্তরের জন্য যোগ্য। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এটি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সঙ্গতিপূর্ণ।

আল-ইয়াজিদির স্থানান্তর গুয়ানতানামো বে-র বন্দীশালা বন্ধ করার প্রক্রিয়ার আরেকটি ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বছরের পর বছর ধরে আলোচনার বিষয়। আল-ইয়াজিদি সহ অন্যান্য বন্দীদের স্থানান্তরের মাধ্যমে মার্কিন সরকার গুয়ানতানামো বে-র আইনি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত জটিল বিষয়গুলি সমাধান করার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি