শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ‍দুই মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা গণমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আকুর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ কমেছে।

হুসনে আরা শিখা জানান, বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসেবে রিজার্ভ এখন ২০ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।

এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে।

জনপ্রিয়

“পুনাক”কতৃক শ্রীমঙ্গলে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ 

আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

প্রকাশের সময় : ০৩:০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ‍দুই মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা গণমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আকুর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ কমেছে।

হুসনে আরা শিখা জানান, বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসেবে রিজার্ভ এখন ২০ বিলিয়ন ডলার রয়েছে।

এর আগে, গত ৮ জানুয়ারি বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ ছিল ২১ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তানের মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে।