শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিনয় থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রহিমার

রহিমা আক্তার

বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
রাউজান হযরত এয়াছিন শাহ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী রহিমা আক্তার চৌধুরী এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হওয়ায় স্কুল সহ সকলের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।
এই  শিক্ষার্থী’র চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে তার পিতা ফরমান উদ্দিন চৌধুরী, মাতা সৈয়দা তাহারু আকতার সহ আত্মিয় স্বজন গর্বিত। বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস বইছে তার স্কুল শিক্ষকদের মাঝে।
জানা যায় ২০২৪-২৫ শিক্ষা বর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (চিকিৎসা শিক্ষা) ১৯ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করেন। ওই ফলাফলে মানিকগঞ্জ সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্যে রহিমা আক্তার মনোনীত হন।
তাদের বাড়ী উপজেলার পুর্ব রাউজান রশিদাপাড়া নুরুল হক চৌধুরী বাড়ী। এ বছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজর ৬ হাজার ২৯৩টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে।
জানতে চাইলে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থী রহিমা আকতার সোমবার দুপুরে জানান, আমি ৭ম শ্রেণীতে স্কুলে পড়াকালীন বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্টানে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ অনুষ্টানে ডাক্তারের অভিনয় করি, সেই থেকে আমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন। আজ সে ইচ্চে পূরণ হয়েছে। তবে সকলের কাছে দোয়া চাই ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসক হয়ে গরীব অসহায় সহ এলাকার মানুষকে সেবা দিতে পারি।
এ প্রসঙ্গে  হযরত এয়াছিন শাহ পাবলিক (বহুমুখী) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ায় আমি গর্বিত ও আনন্দিত। তিনি জানান, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি গুণগত শিক্ষার মান আর মেধাবী শিক্ষার্থী গড়ে তোলতে।
রাউজান প্রেসক্লাব সভাপতি মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন বলেন, মেধাবী রহিমার বাবা একজন সু-শিক্ষিত ভাল মানুষ।রহিমার দাদা মাওলানা আবদুস সালাম কাদেরীর সূত্রে তারা শিক্ষিত পরিবার। সামান্য একটি ছোট ব্যবসা প্রতিষ্টান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন রহিমার বাবা। সন্তানদের জন্যে অনেক কষ্ট করেন। তার কষ্ট আজ সফল হলো। গ্রামের প্রতিটি পরিবার তার মত এগিয়ে আসলে সমাজ দিন দিন উন্নতির দিকে যাবে।
উল্লেখ্য, রহিমা আকতার ২২ সালে এসএসসি ও ২৪ সালে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছিল।
জনপ্রিয়

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী পাবেন আর ‘না’ দিলে কী পাবেন না

অভিনয় থেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রহিমার

প্রকাশের সময় : ০৯:২০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫
বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
রাউজান হযরত এয়াছিন শাহ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী রহিমা আক্তার চৌধুরী এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হওয়ায় স্কুল সহ সকলের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।
এই  শিক্ষার্থী’র চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে তার পিতা ফরমান উদ্দিন চৌধুরী, মাতা সৈয়দা তাহারু আকতার সহ আত্মিয় স্বজন গর্বিত। বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস বইছে তার স্কুল শিক্ষকদের মাঝে।
জানা যায় ২০২৪-২৫ শিক্ষা বর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (চিকিৎসা শিক্ষা) ১৯ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করেন। ওই ফলাফলে মানিকগঞ্জ সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্যে রহিমা আক্তার মনোনীত হন।
তাদের বাড়ী উপজেলার পুর্ব রাউজান রশিদাপাড়া নুরুল হক চৌধুরী বাড়ী। এ বছর ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের ৫ হাজার ৩৮০টি আসনে এবং ৬৭টি অনুমোদিত বেসরকারি মেডিকেল কলেজর ৬ হাজার ২৯৩টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি হবে।
জানতে চাইলে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থী রহিমা আকতার সোমবার দুপুরে জানান, আমি ৭ম শ্রেণীতে স্কুলে পড়াকালীন বাৎসরিক ক্রীড়া অনুষ্টানে ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ অনুষ্টানে ডাক্তারের অভিনয় করি, সেই থেকে আমার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন। আজ সে ইচ্চে পূরণ হয়েছে। তবে সকলের কাছে দোয়া চাই ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করে চিকিৎসক হয়ে গরীব অসহায় সহ এলাকার মানুষকে সেবা দিতে পারি।
এ প্রসঙ্গে  হযরত এয়াছিন শাহ পাবলিক (বহুমুখী) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের শিক্ষার্থী মেডিকেল কলেজে চান্স পাওয়ায় আমি গর্বিত ও আনন্দিত। তিনি জানান, চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি গুণগত শিক্ষার মান আর মেধাবী শিক্ষার্থী গড়ে তোলতে।
রাউজান প্রেসক্লাব সভাপতি মাওলানা এম বেলাল উদ্দিন বলেন, মেধাবী রহিমার বাবা একজন সু-শিক্ষিত ভাল মানুষ।রহিমার দাদা মাওলানা আবদুস সালাম কাদেরীর সূত্রে তারা শিক্ষিত পরিবার। সামান্য একটি ছোট ব্যবসা প্রতিষ্টান দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন রহিমার বাবা। সন্তানদের জন্যে অনেক কষ্ট করেন। তার কষ্ট আজ সফল হলো। গ্রামের প্রতিটি পরিবার তার মত এগিয়ে আসলে সমাজ দিন দিন উন্নতির দিকে যাবে।
উল্লেখ্য, রহিমা আকতার ২২ সালে এসএসসি ও ২৪ সালে এইচএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছিল।