রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড়ে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ছাত্রদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করেছে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতি পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এই মর্মে আগামী ২৮ জানুয়ারি মধ্যে জাতীয়বাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল বলেন, আমাদের মধ্যে যারা নওশাদ ভাইয়ের লোক, তাদের টার্গেট করে মারা হচ্ছে। তারা তো আজাদ ভাইয়ের লোক। গত ২৩ জানুয়ারি রাত ১১টার পরে নওশাদ ভাই চলে যাওয়ার পরপরই আমাকে মারধর করা হয়। আমার কোনো অপরাধ ছিল না। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছিল। তবে আমাকে এ বিষয়ে ব্যাখা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। ঢাকার পথে আমি।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আমাকে সেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে জেলা যুবদল, সেচ্ছাসেবক দলেরও কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেদিন নওশাদ ভাই সভায় আসার পরে কয়েকজন ডেলিগেট কার্ড ছাড়া ঢুকে পড়ে। আমরা তাদের বাধা দেই। এসময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা হয়। আমাদের কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তিও হয়। আর সিনিয়র সহ-সভাপতি সব সময় দলের বহিষ্কৃতদের সাথে ঘুরেন। আমরা সবাই এক তিনি আলাদা। তাকে হয়তো কেউ বলেছে যে এই কমিটি ভাঙতে পারলে তুমিই সভাপতি হবা। এই লোভেই হয়তো এমনটা করেছেন।
জনপ্রিয়

যশোর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের গণজোয়ার

পঞ্চগড়ে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ছাত্রদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

প্রকাশের সময় : ০৭:৩১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ
সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করেছে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি।
গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতি পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না এই মর্মে আগামী ২৮ জানুয়ারি মধ্যে জাতীয়বাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল ইসলাম রাসেল বলেন, আমাদের মধ্যে যারা নওশাদ ভাইয়ের লোক, তাদের টার্গেট করে মারা হচ্ছে। তারা তো আজাদ ভাইয়ের লোক। গত ২৩ জানুয়ারি রাত ১১টার পরে নওশাদ ভাই চলে যাওয়ার পরপরই আমাকে মারধর করা হয়। আমার কোনো অপরাধ ছিল না। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে এসেছিল। তবে আমাকে এ বিষয়ে ব্যাখা দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। ঢাকার পথে আমি।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় আমাকে সেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেখানে জেলা যুবদল, সেচ্ছাসেবক দলেরও কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সেদিন নওশাদ ভাই সভায় আসার পরে কয়েকজন ডেলিগেট কার্ড ছাড়া ঢুকে পড়ে। আমরা তাদের বাধা দেই। এসময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা হয়। আমাদের কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তিও হয়। আর সিনিয়র সহ-সভাপতি সব সময় দলের বহিষ্কৃতদের সাথে ঘুরেন। আমরা সবাই এক তিনি আলাদা। তাকে হয়তো কেউ বলেছে যে এই কমিটি ভাঙতে পারলে তুমিই সভাপতি হবা। এই লোভেই হয়তো এমনটা করেছেন।