রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুলকে দুদকে তলব

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর রফিকুল ইসলামকে (বীর উত্তম) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চাঁদপুর কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। তিনি চাঁদপুর ৫ হাজীগঞ্জ -শাহরাস্তি আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় চাঁদপুর কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে তাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য এক চিঠিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণ ও নদী খননের অর্থসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করেছেন মেজর রফিক। এছাড়া বিদেশে টাকা পাচারসহ নামে বেনামে জ্ঞাত ও আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তার কোন বক্তব্য নেই মর্মে গণ্য করা হবে।

চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে  জানান,  ৫ আগস্টের পর সারাদেশে সাবেক এমপি মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যেসব তদন্ত শুরু হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুরের রফিকুলের বিরুদ্ধে এই প্রথম গোয়েন্দা রিপোর্ট আসে। ঢাকা থেকে আমাকেসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধানের পারমিশন দেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলছে।

তিনি বলেন, অভিযোগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। গত ১৪ জানুয়ারি তাকে তলব করে ২ ফেব্রুয়ারি স্বশরীরে চাঁদপুর কার্যালয়ে তথ্য উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছিল।  কিন্তু তিনি স্বশরীরে উপস্থিত না হয়ে ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করেছেন: যা দুপুরের পর আমরা হাতে পেয়েছি। আইন অনুযায়ী যা পদক্ষেপ রয়েছে,  সে অনুযায়ী আমরা তদন্ত পরিচালনা করব।

জনপ্রিয়

যশোর-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের গণজোয়ার

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুলকে দুদকে তলব

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর রফিকুল ইসলামকে (বীর উত্তম) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চাঁদপুর কার্যালয়ে তলব করা হয়েছে। তিনি চাঁদপুর ৫ হাজীগঞ্জ -শাহরাস্তি আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় চাঁদপুর কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে তাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য এক চিঠিতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণ ও নদী খননের অর্থসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করেছেন মেজর রফিক। এছাড়া বিদেশে টাকা পাচারসহ নামে বেনামে জ্ঞাত ও আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তার কোন বক্তব্য নেই মর্মে গণ্য করা হবে।

চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে  জানান,  ৫ আগস্টের পর সারাদেশে সাবেক এমপি মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে যেসব তদন্ত শুরু হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় চাঁদপুরের রফিকুলের বিরুদ্ধে এই প্রথম গোয়েন্দা রিপোর্ট আসে। ঢাকা থেকে আমাকেসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অনুসন্ধানের পারমিশন দেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলছে।

তিনি বলেন, অভিযোগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। গত ১৪ জানুয়ারি তাকে তলব করে ২ ফেব্রুয়ারি স্বশরীরে চাঁদপুর কার্যালয়ে তথ্য উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছিল।  কিন্তু তিনি স্বশরীরে উপস্থিত না হয়ে ডাকযোগে পত্র প্রেরণ করেছেন: যা দুপুরের পর আমরা হাতে পেয়েছি। আইন অনুযায়ী যা পদক্ষেপ রয়েছে,  সে অনুযায়ী আমরা তদন্ত পরিচালনা করব।