রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাউজানে আগুনে পুড়েছে বসতঘর, ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের রাউজানে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন এলাকার মৃত জামাল আহমেদের ছেলে অটোরিকশা চালক মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, মো. মিঠু ও মৃত নবাব মিয়ার ছেলে মুহাম্মদ নওশাদ। এছাড়াও বেলাল উদ্দিনের ছেলে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. সাজিদের প্রবেশপত্র, বইখাতা সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায় এবং বেলাল উদ্দিনের ৪ বছরের ঘুমান্ত মেয়ে মরিয়মের পায়ে ও মাথার চুলের অংশবিশেষ পুড়ে যায়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশি মোহাম্মদ ইলিয়াস সুমন বলেন, ভোরে বেলাল উদ্দিন নামাজ আদায়ের জন্য উঠে দেখেন তার রান্না ঘরের দিকে আগুন জ্বলছে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘুম থেকে উঠে আগুন নিভাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দ্রুত আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কিছু বের করা সম্ভব হয় নি।

সংবাদ পেয়ে রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস এসে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এরপূর্বেই অগ্নিকাণ্ডে সেমিপাকা ঘরের আসবাবপত্র, স্বর্ণালঙ্কার, প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এতে প্রায় ২০ লাখ টাকা মত ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিতে আসা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মাওলানা আবুল বশর বলেন, তারা খুবই অসহায় পরিবার তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই দিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ জাহেদুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। প্রাথমিক ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

জনপ্রিয়

ব্রিজের রেলিং ভেঙে ট্রাক নদীতে, দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

রাউজানে আগুনে পুড়েছে বসতঘর, ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের রাউজানে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভোর ৬টার দিকে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরী পাড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন এলাকার মৃত জামাল আহমেদের ছেলে অটোরিকশা চালক মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, মো. মিঠু ও মৃত নবাব মিয়ার ছেলে মুহাম্মদ নওশাদ। এছাড়াও বেলাল উদ্দিনের ছেলে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. সাজিদের প্রবেশপত্র, বইখাতা সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায় এবং বেলাল উদ্দিনের ৪ বছরের ঘুমান্ত মেয়ে মরিয়মের পায়ে ও মাথার চুলের অংশবিশেষ পুড়ে যায়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিবেশি মোহাম্মদ ইলিয়াস সুমন বলেন, ভোরে বেলাল উদ্দিন নামাজ আদায়ের জন্য উঠে দেখেন তার রান্না ঘরের দিকে আগুন জ্বলছে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘুম থেকে উঠে আগুন নিভাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দ্রুত আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কিছু বের করা সম্ভব হয় নি।

সংবাদ পেয়ে রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস এসে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এরপূর্বেই অগ্নিকাণ্ডে সেমিপাকা ঘরের আসবাবপত্র, স্বর্ণালঙ্কার, প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এতে প্রায় ২০ লাখ টাকা মত ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দিতে আসা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মাওলানা আবুল বশর বলেন, তারা খুবই অসহায় পরিবার তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই দিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ জাহেদুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। প্রাথমিক ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।