মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্মাতা চয়নিকার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ছবি-সংগৃহীত

চেক ডিজঅনার মামলায় নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৬ মে) ঢাকার সপ্তম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. বুলবুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

সূত্রের বরাত জানা গেছে, মামলার বাদী প্রযোজক রাশেদুল ইসলাম রিয়াজের জেরার দিন ধার্য ছিল এদিন। আসামি চয়নিকা চৌধুরী হাজির হননি আদালতে। পরে তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি রোয়ানা জারি করেন।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৪ মে নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রযোজক রাশেদুল। পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৪ সালের ২ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি চয়নিকা চৌধুরীর মাধ্যমে ‘জীবন সুন্দর হোক’ নামে একটি নাটক তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেন প্রযোজক রাশেদুল। এ জন্য ২০১২ সালের ২৪ আগস্ট চুক্তি স্বাক্ষর হয় তাদের। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, চয়নিকা চৌধুরীকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন প্রযোজক। একই বছর ৩০ অক্টোবর বাদী রিয়াজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

এ নির্মাতা চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও নাটক নির্মাণ করেননি। তার সঙ্গে বরং যোগাযোগ করা হলে নাটক নির্মাণ করতে অপারগতা জানান। ওই সময় টাকা ফেরত চাইলে ২০১৩ সালের জানুয়ারি চেক নগদায়ন করতে বলেন। পরবর্তীতে একাধিকবার টাকা নগদায়ন করতে গেলে চেক ডিজঅনার হয়। টাকা ফেরত চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও টাকা ফেরত দেননি। এ কারণে পরবর্তীতে ঢাকার আদালতে এসে চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রযোজক রাশেদুল।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

নির্মাতা চয়নিকার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশের সময় : ০১:০২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

চেক ডিজঅনার মামলায় নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৬ মে) ঢাকার সপ্তম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ মো. বুলবুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

সূত্রের বরাত জানা গেছে, মামলার বাদী প্রযোজক রাশেদুল ইসলাম রিয়াজের জেরার দিন ধার্য ছিল এদিন। আসামি চয়নিকা চৌধুরী হাজির হননি আদালতে। পরে তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন জানান। কিন্তু আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি রোয়ানা জারি করেন।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৪ মে নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রযোজক রাশেদুল। পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৪ সালের ২ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন তিনি।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি চয়নিকা চৌধুরীর মাধ্যমে ‘জীবন সুন্দর হোক’ নামে একটি নাটক তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেন প্রযোজক রাশেদুল। এ জন্য ২০১২ সালের ২৪ আগস্ট চুক্তি স্বাক্ষর হয় তাদের। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, চয়নিকা চৌধুরীকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন প্রযোজক। একই বছর ৩০ অক্টোবর বাদী রিয়াজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

এ নির্মাতা চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও নাটক নির্মাণ করেননি। তার সঙ্গে বরং যোগাযোগ করা হলে নাটক নির্মাণ করতে অপারগতা জানান। ওই সময় টাকা ফেরত চাইলে ২০১৩ সালের জানুয়ারি চেক নগদায়ন করতে বলেন। পরবর্তীতে একাধিকবার টাকা নগদায়ন করতে গেলে চেক ডিজঅনার হয়। টাকা ফেরত চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও টাকা ফেরত দেননি। এ কারণে পরবর্তীতে ঢাকার আদালতে এসে চয়নিকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রযোজক রাশেদুল।