শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাউজানে আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর, পাঁচটি পরিবার নিঃস্ব

বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চোখের সামনে ধোঁয়ার কুন্ডলী উঠছে, আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে জীবনের সব সঞ্চয়। এমনই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহিম মুন্সি বাড়ি।
শনিবার (১০ মে) বিকেল ৫টার দিকে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় পাঁচটি বসতঘর। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।
পোড়া ঘরগুলোর মালিক মো. ফয়সাল, নুর ইসলাম, শাহরুখ, এনামুল ও ফরিদ—পাঁচটি পরিবার হারিয়েছে তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই, জীবনের সঞ্চিত সম্পদ, স্মৃতি আর স্বপ্ন। আগুন কেড়ে নিয়েছে আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাউজান ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শামসুল আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। না হলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের জরুরি সহায়তা কামনা করেছেন।
এই আগুন শুধু ঘর পুড়ায়নি, পুড়িয়ে দিয়েছে কিছু মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যতের আশা আর ছোট ছোট বাচ্চাদের নির্ভরতার আশ্রয়।
জনপ্রিয়

তারেক রহমান সপরিবারে যমুনায়

রাউজানে আগুনে পুড়ে ছাই বসতঘর, পাঁচটি পরিবার নিঃস্ব

প্রকাশের সময় : ১০:২৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫
বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চোখের সামনে ধোঁয়ার কুন্ডলী উঠছে, আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে জীবনের সব সঞ্চয়। এমনই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রহিম মুন্সি বাড়ি।
শনিবার (১০ মে) বিকেল ৫টার দিকে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় পাঁচটি বসতঘর। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।
পোড়া ঘরগুলোর মালিক মো. ফয়সাল, নুর ইসলাম, শাহরুখ, এনামুল ও ফরিদ—পাঁচটি পরিবার হারিয়েছে তাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই, জীবনের সঞ্চিত সম্পদ, স্মৃতি আর স্বপ্ন। আগুন কেড়ে নিয়েছে আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রাউজান ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শামসুল আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। না হলে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। তারা স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের জরুরি সহায়তা কামনা করেছেন।
এই আগুন শুধু ঘর পুড়ায়নি, পুড়িয়ে দিয়েছে কিছু মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যতের আশা আর ছোট ছোট বাচ্চাদের নির্ভরতার আশ্রয়।