মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন

২৪ এর গণঅভ্যুত্থান থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেমদের অবদান মুছে ফেলা যাবে না

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫
  • ৬৮

যশোর অফিস 

ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে মাদরাসা শিক্ষার্থী প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ২৪ এর জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় সোমবার বিকেলে যশোর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খতমে কোরআন ও দুয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একশত হাফেজ এর মাধ্যমে দশ খতম কুরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং খতমে কুরআনের পর শাহাদাত বরণকারীদের ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

দুয়া পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অতিথিরা বলেন, জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের জনতার সাথে কওমী মাদরাসার ছাত্ররাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু একটি চিহ্নিত মহল আলেম-ওলামা এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের এই অবদানকে মুছে দিতে চায়।  তারা ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই এ অভ্যুত্থানে যেমন ভাবে স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি সহ দেশের সর্বস্তরের জনতা অংশগ্রহণ করেছিল ঠিক তদ্রূপভাবে কওমী মাদরাসার ছাত্র এবং আলেম-ওলামারাও অংশগ্রহণ করেছিল । যার প্রমাণ যাত্রাবাড়ীর হাফেজ  মাওলানা খুবায়েব,  বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের কর্মকর্তা মাওলানা শিহাবুদ্দীন সহ প্রায় একশতশিক্ষার্থী ও আলেমের শাহাদত বরণ।

খতমে কুরআন শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মুফতী উবায়দুল্লাহ শাকির। অন্যান্যদের ভিতরে উপস্থিত ছিলেন মুফতী আবদুর রহমান এজাজী, মুফতী তাওহীদুর রহমান, মাওলানা সুলাইমান হুসাইন আরকামী, মাওলানা তাওফীকুর রহমান, মুফতী ইয়াসিন আরাফাত, মুফতী আবদুর রহমান, মাওলানা দেলাওয়ার প্রমূখ।

জনপ্রিয়

বাঙ্গালহালিয়াতে ২ দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন

২৪ এর গণঅভ্যুত্থান থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেমদের অবদান মুছে ফেলা যাবে না

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

যশোর অফিস 

ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে মাদরাসা শিক্ষার্থী প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ২৪ এর জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শাহাদাত বরণকারীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় সোমবার বিকেলে যশোর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে খতমে কোরআন ও দুয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একশত হাফেজ এর মাধ্যমে দশ খতম কুরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং খতমে কুরআনের পর শাহাদাত বরণকারীদের ঈসালে সওয়াবের উদ্দেশ্যে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

দুয়া পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অতিথিরা বলেন, জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের জনতার সাথে কওমী মাদরাসার ছাত্ররাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু একটি চিহ্নিত মহল আলেম-ওলামা এবং মাদরাসার শিক্ষার্থীদের এই অবদানকে মুছে দিতে চায়।  তারা ইতিহাস বিকৃত করতে চায়। আমরা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই এ অভ্যুত্থানে যেমন ভাবে স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি সহ দেশের সর্বস্তরের জনতা অংশগ্রহণ করেছিল ঠিক তদ্রূপভাবে কওমী মাদরাসার ছাত্র এবং আলেম-ওলামারাও অংশগ্রহণ করেছিল । যার প্রমাণ যাত্রাবাড়ীর হাফেজ  মাওলানা খুবায়েব,  বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের কর্মকর্তা মাওলানা শিহাবুদ্দীন সহ প্রায় একশতশিক্ষার্থী ও আলেমের শাহাদত বরণ।

খতমে কুরআন শেষে দোয়া পরিচালনা করেন মুফতী উবায়দুল্লাহ শাকির। অন্যান্যদের ভিতরে উপস্থিত ছিলেন মুফতী আবদুর রহমান এজাজী, মুফতী তাওহীদুর রহমান, মাওলানা সুলাইমান হুসাইন আরকামী, মাওলানা তাওফীকুর রহমান, মুফতী ইয়াসিন আরাফাত, মুফতী আবদুর রহমান, মাওলানা দেলাওয়ার প্রমূখ।