বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের জানাজায় কাতারের আমির

ছবি-সংগৃহীত

কাতারের দোহায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ব্যক্তিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এতে উপস্থিত ছিলেন কাতারি আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইমাম আব্দুল ওয়াহাব মসজিদে এ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।  খবর আল জাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ফিলিস্তিনের। তাদের মরদেহ ফিলিস্তিনের পতাকায় মোড়ানো হয়। নিহত অপরজন কাতারের সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তার নাম কর্পোরাল বদর সাদ মোহাম্মদ আল-হুমাইদি আল দোসারি। তার মরদেহ কাতারের পতাকায় মোড়ানো হয়।

নিহতদের মরদেহ মিসাইমির কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছিল কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের লক্ষ্য করে এ বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তবে শীর্ষ নেতাদের সবাই বেঁচে গেছেন।

তা সত্ত্বেও ছয়জন এই হামলায় প্রাণ হারান। যারমধ্যে কাতারের সেনাবাহিনীর এক সদস্যও ছিলেন। এছাড়া নিহতদের মধ্যে হামাস নেতা খলিল আল-হায়ার ছেলে রয়েছেন। মূলত খলিল ও তার অন্য সহযোদ্ধাদের হত্যা করতে হামলা চালায় দখলদাররা।

হামলার পর কাতারের আমির সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, খলিল আল-হায়া নিহত হয়েছেন কি না এ ব্যাপারে তিনি কোনো তথ্য জানেন না। এছাড়া হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন নিয়েও নতুন করে ভাববেন বলে জানান তিনি।

এ হামলার কারণে ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন কাতারের শাসক।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ইসরায়েলি হামলায় নিহতদের জানাজায় কাতারের আমির

প্রকাশের সময় : ১১:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কাতারের দোহায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ব্যক্তিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এতে উপস্থিত ছিলেন কাতারি আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) ইমাম আব্দুল ওয়াহাব মসজিদে এ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।  খবর আল জাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন ছিলেন ফিলিস্তিনের। তাদের মরদেহ ফিলিস্তিনের পতাকায় মোড়ানো হয়। নিহত অপরজন কাতারের সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। তার নাম কর্পোরাল বদর সাদ মোহাম্মদ আল-হুমাইদি আল দোসারি। তার মরদেহ কাতারের পতাকায় মোড়ানো হয়।

নিহতদের মরদেহ মিসাইমির কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছিল কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের লক্ষ্য করে এ বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তবে শীর্ষ নেতাদের সবাই বেঁচে গেছেন।

তা সত্ত্বেও ছয়জন এই হামলায় প্রাণ হারান। যারমধ্যে কাতারের সেনাবাহিনীর এক সদস্যও ছিলেন। এছাড়া নিহতদের মধ্যে হামাস নেতা খলিল আল-হায়ার ছেলে রয়েছেন। মূলত খলিল ও তার অন্য সহযোদ্ধাদের হত্যা করতে হামলা চালায় দখলদাররা।

হামলার পর কাতারের আমির সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, খলিল আল-হায়া নিহত হয়েছেন কি না এ ব্যাপারে তিনি কোনো তথ্য জানেন না। এছাড়া হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন নিয়েও নতুন করে ভাববেন বলে জানান তিনি।

এ হামলার কারণে ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন কাতারের শাসক।