শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে দুদকের অভিযান

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনার সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধরের নেতৃত্বে একটি দল কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে অফিস নথি পর্যালোচনা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন নথি জব্দ করে।

কলেজ সূত্র জানায়, পরিবহন খাত, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, খাদ্য বাবদ অতিরিক্ত ব্যয়সহ নানা খাতে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে হাইস গাড়ির নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় হলেও কলেজে কোনো গাড়ি নেই—এমন তথ্য দুদকের নজরে আসে। এ ছাড়া শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থী ফি নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবহন খাতের লগবুক পর্যালোচনায় অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। শিক্ষার্থীরা হাইস গাড়ি ব্যবহার না করলেও অধ্যক্ষ ও কয়েকজন শিক্ষক ব্যবহার করেছেন এবং এর বিপরীতে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে। এসব তথ্য কমিশনে পাঠিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ জানান, দুদকের তদন্তকাজে কলেজ কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে।

জনপ্রিয়

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ফটোকার্ড শেয়ার ড. ইউনূসের

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে দুদকের অভিযান

প্রকাশের সময় : ০২:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় পাবনার সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধরের নেতৃত্বে একটি দল কলেজ ক্যাম্পাসে গিয়ে অফিস নথি পর্যালোচনা, কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন নথি জব্দ করে।

কলেজ সূত্র জানায়, পরিবহন খাত, শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল, খাদ্য বাবদ অতিরিক্ত ব্যয়সহ নানা খাতে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে হাইস গাড়ির নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় হলেও কলেজে কোনো গাড়ি নেই—এমন তথ্য দুদকের নজরে আসে। এ ছাড়া শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি, সরকারি বরাদ্দের অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থী ফি নিয়েও অনুসন্ধান চলছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবহন খাতের লগবুক পর্যালোচনায় অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। শিক্ষার্থীরা হাইস গাড়ি ব্যবহার না করলেও অধ্যক্ষ ও কয়েকজন শিক্ষক ব্যবহার করেছেন এবং এর বিপরীতে অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে। এসব তথ্য কমিশনে পাঠিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ জানান, দুদকের তদন্তকাজে কলেজ কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে।