মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি থেকে কাজী ইনামকে অপসারণের দাবি

যশোর প্রতিনিধি 
যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটিতে সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ছোট ভাই ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদকে সদস্য করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জেলা ক্রীড়া সংগঠক এবং সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকালে তারা জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক বরাবর স্মারকলিপি দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কাজী ইনাম আহমেদ অতীতে যশোর ক্রীড়া সংস্থার সাথে যুক্ত থাকলেও তিনি খেলাধুলার উন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার প্ররোচনায় শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে জনসভা করে মাঠ ও গ্যালারির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্রীড়া সংস্থাকে ব্যবহার করে তিনি সংগঠকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছিলেন।
ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা অভিযোগ করেন, ওই সময়ে যশোর-৩ আসনের বিনাভোটের এমপি কাজী নাবিল আহমেদের ভাই হওয়ার সুবাদে ইনাম আহমেদ অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে একনায়কতন্ত্র চালু করেছিলেন। এতে দক্ষ সংগঠকরা মাঠবিমুখ হয়ে পড়েন।
তারা বলেন, এডহক কমিটিতে কাজী ইনামের অন্তর্ভুক্তি যশোর ক্রীড়াঙ্গণের অচলাবস্থা আরও বাড়াবে। তাই অবিলম্বে তাকে সদস্য পদ থেকে অপসারণের জোর দাবি জানানো হয়।
জনপ্রিয়

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

যশোরে ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি থেকে কাজী ইনামকে অপসারণের দাবি

প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
যশোর প্রতিনিধি 
যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটিতে সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ছোট ভাই ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদকে সদস্য করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জেলা ক্রীড়া সংগঠক এবং সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়রা একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন। মঙ্গলবার সকালে তারা জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক বরাবর স্মারকলিপি দেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কাজী ইনাম আহমেদ অতীতে যশোর ক্রীড়া সংস্থার সাথে যুক্ত থাকলেও তিনি খেলাধুলার উন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার প্ররোচনায় শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে জনসভা করে মাঠ ও গ্যালারির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত স্বার্থে ক্রীড়া সংস্থাকে ব্যবহার করে তিনি সংগঠকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছিলেন।
ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়রা অভিযোগ করেন, ওই সময়ে যশোর-৩ আসনের বিনাভোটের এমপি কাজী নাবিল আহমেদের ভাই হওয়ার সুবাদে ইনাম আহমেদ অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে একনায়কতন্ত্র চালু করেছিলেন। এতে দক্ষ সংগঠকরা মাঠবিমুখ হয়ে পড়েন।
তারা বলেন, এডহক কমিটিতে কাজী ইনামের অন্তর্ভুক্তি যশোর ক্রীড়াঙ্গণের অচলাবস্থা আরও বাড়াবে। তাই অবিলম্বে তাকে সদস্য পদ থেকে অপসারণের জোর দাবি জানানো হয়।