রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই গনঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালন 

স্টাফ রিপোর্টার

যশোরের শার্শা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই-২০২৪ গনঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ আব্দুল্লাহ’র আজ প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম শহীদ আব্দুল্লাহর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহত আব্দুল্লাহর বাবা আব্দুল জব্বার তার মামা ইসরাইল সর্দার সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার তাতী বাজারের রাজপথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে দীর্ঘ ৩ মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শেষমেষ গত বছরের ১৪ নভেম্বর ঢাকা সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন তিনি। শৈশব থেকেই চরম দারিদ্রতা আর নানা প্রতিকূলতার মাঝেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে লেখা-পড়ার জন্য ঢাকা যান। ভর্তি হন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে।

নিজের পড়াশোনা,ম্যাচভাড়া ও খাবার খরচ চালাতে তিনি টিউশনির কাজ করেছেন। তার জীবন ছিল এক সাহসী সংগ্রামের নাম।

শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম বলেন, শহীদ আব্দুল্লাহ এখন আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার সাহস, সততা আর স্বপ্ন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে বাংলার রাজপথে, তরুণদের হৃদয়ে। পরকালে সে যেন ভাল থাকে তার জন্য দোয়া রইল।

আব্দুল্লাহর বাবা আব্দুল জব্বার বলেন, আশা ছিল ছেলে লেখা পড়া শিখে বৃ্দ্ধ বয়সে আমাদের দেখাশুনা করবে। নিয়তির খেলা সে আশা পূরন হলোনা। দেশবাসীর কাছে আমার পরিবার ও তার সহযোদ্ধারাদের জন্য দোয়া ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি ।

জনপ্রিয়

আমি পদত্যাগ করিনি

জুলাই গনঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালন 

প্রকাশের সময় : ০৪:০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
স্টাফ রিপোর্টার

যশোরের শার্শা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই-২০২৪ গনঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ আব্দুল্লাহ’র আজ প্রথম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম শহীদ আব্দুল্লাহর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহত আব্দুল্লাহর বাবা আব্দুল জব্বার তার মামা ইসরাইল সর্দার সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকার তাতী বাজারের রাজপথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে দীর্ঘ ৩ মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শেষমেষ গত বছরের ১৪ নভেম্বর ঢাকা সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন তিনি। শৈশব থেকেই চরম দারিদ্রতা আর নানা প্রতিকূলতার মাঝেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে লেখা-পড়ার জন্য ঢাকা যান। ভর্তি হন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে।

নিজের পড়াশোনা,ম্যাচভাড়া ও খাবার খরচ চালাতে তিনি টিউশনির কাজ করেছেন। তার জীবন ছিল এক সাহসী সংগ্রামের নাম।

শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিয়াজ মাখদুম বলেন, শহীদ আব্দুল্লাহ এখন আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার সাহস, সততা আর স্বপ্ন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে বাংলার রাজপথে, তরুণদের হৃদয়ে। পরকালে সে যেন ভাল থাকে তার জন্য দোয়া রইল।

আব্দুল্লাহর বাবা আব্দুল জব্বার বলেন, আশা ছিল ছেলে লেখা পড়া শিখে বৃ্দ্ধ বয়সে আমাদের দেখাশুনা করবে। নিয়তির খেলা সে আশা পূরন হলোনা। দেশবাসীর কাছে আমার পরিবার ও তার সহযোদ্ধারাদের জন্য দোয়া ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি ।