শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেলানী হত্যার ১৫ বছর: আধিপত্যবিরোধী মার্চ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০
যশোর অফিস 
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যশোরে আধিপত্যবিরোধী মার্চ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যশোর জেলা। এতে দলটির জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১১ সালের ৮ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে কিশোরী ফেলানী নির্মমভাবে নিহত হন। ঘটনার ১৫ বছর পার হলেও এ হত্যার ন্যায়বিচার আজও নিশ্চিত হয়নি। তারা সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।
বক্তারা আরও বলেন, সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ফেলানী হত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা আধিপত্যবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়

আমি অনেক আগে থেকেই বেগম জিয়ার ভক্ত ছিলাম: আসিফ নজরুল

ফেলানী হত্যার ১৫ বছর: আধিপত্যবিরোধী মার্চ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশের সময় : ০৯:১৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
যশোর অফিস 
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক সীমান্তে কিশোরী ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যশোরে আধিপত্যবিরোধী মার্চ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যশোর জেলা। এতে দলটির জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১১ সালের ৮ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে কিশোরী ফেলানী নির্মমভাবে নিহত হন। ঘটনার ১৫ বছর পার হলেও এ হত্যার ন্যায়বিচার আজও নিশ্চিত হয়নি। তারা সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।
বক্তারা আরও বলেন, সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। অবিলম্বে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ফেলানী হত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা আধিপত্যবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।