
বিদেশি ফল হলেও বর্তমানে দেশে বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। দাম কিছুটা বেশি হলেও এর অনন্য পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক বিকাশে দারুণ কার্যকর। ড্রাগন ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হজমের উন্নতি ঘটাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সরাসরি সহায়তা করে। তাই শিশুর নিয়মিত পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ড্রাগন ফলকে একটি আদর্শ খাবার হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
শিশুর দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ড্রাগন ফলে থাকা ভিটামিন-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে, যা শিশুদের কোমল পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং রক্তস্বল্পতা রোধে আয়রনের জোগান দেয়।এছাড়া ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর এই ফলটি শিশুদের হাড়ের সঠিক বিকাশে এবং মজবুত গঠনে সহায়তা করে। এমনকি ড্রাগন ফলের হাইড্রেটিং বৈশিষ্ট্য শিশুর ত্বককে ভেতর থেকে আর্দ্র ও সজীব রাখতে সাহায্য করে।
সাধারণত শিশু যখন থেকে শক্ত বা সলিড খাবার খাওয়া শুরু করে, তখন থেকেই তাকে ড্রাগন ফল দেওয়া যেতে পারে। তবে প্রথমবার খাওয়ানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং শিশুর শরীরে কোনো র্যাশ বা লালচে ভাব দেখা দেয় কি না, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
অনেক সময় এই ফল খাওয়ার পর প্রস্রাব বা মলের রঙ সাময়িকভাবে লাল বা গোলাপি হতে পারে, যা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং এতে ভয়ের কিছু নেই। স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধির জন্য কৃত্রিম খাবারের বদলে এমন পুষ্টিকর প্রাকৃতিক ফল শিশুর খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
লাইফস্টাইল ডেস্ক 







































