শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘মব ভায়োলেন্স’ বলতে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

‘মব ভায়োলেন্স’ বলতে কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার বিকালে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন, আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা নিয়ে পুলিশের ভেতর ‘মব’ ভীতি কাজ করছে কিনা। জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ কমিশনারকে পাশে ডেকে এনে সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেছেন, ‘এই যে তাকাইয়া দেখো, ভীত মনে হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছু নেই। পুলিশের ভেতরে কোনো ভীতি কাজ করতেছে না।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন উপদেষ্টা।

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রস্তুতি খুবই ভালো। সিসিটিভি প্রায় কেন্দ্রেই লেগে গেছে। দুই-একটা কেন্দ্রে যেখানে বাউন্ডারি ওয়াল নাই, সেখানে বাঁশের বেড়া দিয়ে ব্যবস্থা করে দিবে। তাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো। নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে।

অবৈধ অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি বারবারই বলছি। এখানে অবৈধ অস্ত্র কিন্তু প্রতিনিয়তই উদ্ধার হচ্ছে। নির্বাচনটা খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হবে, উৎসবমুখরভাবেই হবে। পিসফুলই হবে।

তিনি জানান, নির্বাচনে সারা দেশে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, কোস্টগার্ডের চার হাজার, পুলিশের দেড় লাখ, র‌্যাবের নয় হাজার এবং আনসারের পাঁচ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে সহিংসতার কোনো সম্ভাবনাই নাই। ইলেকশন খুব পিসফুল হয়ে যাবে।

এর আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার  ড. আনম বজলুর রশীদ, ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. জিল্লুর রহমানসহ পুলিশের ৮ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) অংশ নেন।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

‘মব ভায়োলেন্স’ বলতে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৪:১৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘মব ভায়োলেন্স’ বলতে কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার বিকালে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।

সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন, আসন্ন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা নিয়ে পুলিশের ভেতর ‘মব’ ভীতি কাজ করছে কিনা। জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি ও পুলিশ কমিশনারকে পাশে ডেকে এনে সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেছেন, ‘এই যে তাকাইয়া দেখো, ভীত মনে হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছু নেই। পুলিশের ভেতরে কোনো ভীতি কাজ করতেছে না।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন উপদেষ্টা।

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘প্রস্তুতি খুবই ভালো। সিসিটিভি প্রায় কেন্দ্রেই লেগে গেছে। দুই-একটা কেন্দ্রে যেখানে বাউন্ডারি ওয়াল নাই, সেখানে বাঁশের বেড়া দিয়ে ব্যবস্থা করে দিবে। তাদের প্রস্তুতি খুবই ভালো। নির্বাচন খুব শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে।

অবৈধ অস্ত্র নিয়ে উদ্বেগের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি বারবারই বলছি। এখানে অবৈধ অস্ত্র কিন্তু প্রতিনিয়তই উদ্ধার হচ্ছে। নির্বাচনটা খুবই শান্তিপূর্ণভাবে হবে, উৎসবমুখরভাবেই হবে। পিসফুলই হবে।

তিনি জানান, নির্বাচনে সারা দেশে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, কোস্টগার্ডের চার হাজার, পুলিশের দেড় লাখ, র‌্যাবের নয় হাজার এবং আনসারের পাঁচ লক্ষাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে সহিংসতার কোনো সম্ভাবনাই নাই। ইলেকশন খুব পিসফুল হয়ে যাবে।

এর আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি। সভায় রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার  ড. আনম বজলুর রশীদ, ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. জিল্লুর রহমানসহ পুলিশের ৮ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা; উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) অংশ নেন।