মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোরআন ও হাদিসে মধুর উপকারিতা

  • ধর্ম ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২

ছবি-সংগৃহীত

মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত মধু। মধু মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থের নাম। আল্লাহর আদেশে মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে, মৌচাকে সংরক্ষণ করে।

মূলত মধু উচ্চ ঔষধিগুণসম্পন্ন একটি ভেষজ তরল সুপেয় পদার্থ। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে এর ব্যবহারে চিনির চেয়ে স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে অনেকগুণ বেশি।

 
মধুর একটি গুণ হলো এটি কখনো নষ্ট হয় না। হাজার বছরেও মধুর গুণাগুণ নষ্ট হয় না। কোরআন ও হাদিসে মধুর অনেক অনেক উপকারিতার কথা আলোচিত হয়েছে।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরিফে বলেন, পাহাড়ে, গাছে, উঁচু চালে গৃহ তৈরি কর, এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর। আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথসমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (সুরা আন-নাহল, আয়াত:- ৬৮-৬৯)

নবীজিও (সা.) মধুর অনেক উপকারিতার কথা বলেছেন। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।  (বুখারি, হাদিস:- ৫২৪৮)

হযরত আয়েশা রা. বলেন,
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে মধু ও মিষ্টান্ন খুব প্রিয় ছিল।  (বুখারি, হাদিস, ৫২৫০) রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকালে মধু চেটে খাবে, তার বড় ধরনের কোনো রোগ হবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস:- ৩৪৪১)
হযরত আয়্যাশ ইবন ওয়ালিদ রহ. আবু সাঈদ রা. থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, ‘আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে।’ 
 
তখন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তাকে মধূ পান করাও।’ এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার আসলে তিনি বললেন, ‘তাকে মধু পান করাও।’ সে তৃতীয়বার আসলে তিনি বললেন, ‘তাকে মধু পান করাও।’ এরপর লোকটি পুনরায় এসে বলল, আমি অনুরূপই করেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট অসত্য বলছে। তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু পান করাল। এবার সে আরোগ্য লাভ করল। (বুখারি, হাদিস:- ৫২৮২) –সময় সংবাদ
জনপ্রিয়

জনগণ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছে- বাবার স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন সাঈদ আল নোমান

কোরআন ও হাদিসে মধুর উপকারিতা

প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত মধু। মধু মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থের নাম। আল্লাহর আদেশে মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে, মৌচাকে সংরক্ষণ করে।

মূলত মধু উচ্চ ঔষধিগুণসম্পন্ন একটি ভেষজ তরল সুপেয় পদার্থ। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে এর ব্যবহারে চিনির চেয়ে স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে অনেকগুণ বেশি।

 
মধুর একটি গুণ হলো এটি কখনো নষ্ট হয় না। হাজার বছরেও মধুর গুণাগুণ নষ্ট হয় না। কোরআন ও হাদিসে মধুর অনেক অনেক উপকারিতার কথা আলোচিত হয়েছে।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরিফে বলেন, পাহাড়ে, গাছে, উঁচু চালে গৃহ তৈরি কর, এরপর সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর। আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথসমূহে চলমান হও। তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। (সুরা আন-নাহল, আয়াত:- ৬৮-৬৯)

নবীজিও (সা.) মধুর অনেক উপকারিতার কথা বলেছেন। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।  (বুখারি, হাদিস:- ৫২৪৮)

হযরত আয়েশা রা. বলেন,
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে মধু ও মিষ্টান্ন খুব প্রিয় ছিল।  (বুখারি, হাদিস, ৫২৫০) রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকালে মধু চেটে খাবে, তার বড় ধরনের কোনো রোগ হবে না। (ইবনে মাজাহ, হাদিস:- ৩৪৪১)
হযরত আয়্যাশ ইবন ওয়ালিদ রহ. আবু সাঈদ রা. থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, ‘আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে।’ 
 
তখন নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তাকে মধূ পান করাও।’ এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার আসলে তিনি বললেন, ‘তাকে মধু পান করাও।’ সে তৃতীয়বার আসলে তিনি বললেন, ‘তাকে মধু পান করাও।’ এরপর লোকটি পুনরায় এসে বলল, আমি অনুরূপই করেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট অসত্য বলছে। তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু পান করাল। এবার সে আরোগ্য লাভ করল। (বুখারি, হাদিস:- ৫২৮২) –সময় সংবাদ