শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেহরি না খেয়ে কি রোজা রাখা যাবে?

  • ধর্ম ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮

ছবি-সংগৃহীত

পবিত্র রমজান মাস ইবাদত, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মাস। রোজার সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সেহরি খাওয়া। এতে রয়েছে বরকত।

অনেকে জানতে চান, সেহরি না খেলে কি রোজা রাখা যাবে?

 
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ হবে, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে সেহরির সময় কিছু খেয়ে নেয়াই বরকতময়। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও! কেননা সেহরিতে মহান আল্লাহ বরকত রেখেছেন। (বুখারি, হাদিস: ১৯২৩; মুসলিম, হাদিস: ১০৯৫)
মনে রাখতে হবে, পেট ভরে খেতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। মাছ, দুধ বা খেজুর কিংবা হালকা কিছু খেলেও সেহরি খাওয়া হয়। কেউ যদি সেহরিতে উঠতে না পারে, তাহলে তাকেও রোজা রাখতে হবে। সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব ও বরকত। (বিনায়া শরহে হেদায়া: ৪/১০৩)
 
মুসলমান আর ইহুদি-খ্রিস্টানদের রোজার পার্থক্য সেহরি। সেহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সেহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সেহরি খায় না আর আমরা সেহরি খাই।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস: ৬৪২) –সময় সংবাদ
জনপ্রিয়

যশোরে দ্রুত বিচার মামলার আসামি রুবেল ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

সেহরি না খেয়ে কি রোজা রাখা যাবে?

প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাস ইবাদত, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মাস। রোজার সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সেহরি খাওয়া। এতে রয়েছে বরকত।

অনেকে জানতে চান, সেহরি না খেলে কি রোজা রাখা যাবে?

 
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, সেহরি খাওয়া সুন্নত। সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ হবে, এতে কোনো আপত্তি নেই। তবে সেহরির সময় কিছু খেয়ে নেয়াই বরকতময়। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা সেহরি খাও! কেননা সেহরিতে মহান আল্লাহ বরকত রেখেছেন। (বুখারি, হাদিস: ১৯২৩; মুসলিম, হাদিস: ১০৯৫)
মনে রাখতে হবে, পেট ভরে খেতে হবে– এমন কোনো শর্ত নেই। মাছ, দুধ বা খেজুর কিংবা হালকা কিছু খেলেও সেহরি খাওয়া হয়। কেউ যদি সেহরিতে উঠতে না পারে, তাহলে তাকেও রোজা রাখতে হবে। সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব ও বরকত। (বিনায়া শরহে হেদায়া: ৪/১০৩)
 
মুসলমান আর ইহুদি-খ্রিস্টানদের রোজার পার্থক্য সেহরি। সেহরি খাওয়ার অনেক ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আহলে কিতাব তথা ইহুদি-খ্রিস্টান আর মুসলমানদের রোজার মধ্যে শুধু সেহরি খাওয়াই পার্থক্য। অর্থাৎ তারা সেহরি খায় না আর আমরা সেহরি খাই।’ (মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৩; তিরমিজি, হাদিস: ৬৪২) –সময় সংবাদ