সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ##

 ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বলদিয়া গ্রামে ডোবার পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩০ মে) বেলা ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলো, স্থানীয় অপু মিয়ার মেয়ে শেফালি, সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে সাদিয়া এবং জহুরুল ইসলামের মেয়ে জেসমিন নিহত। তিন শিশুরই বয়স পাঁচ বছর এবং তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো বোন।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় আব্দুল মালেক জানান, বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া সংকোষ নদীর একটি শাখা ডোবাতে পরিবারের অজান্তে গোসল করতে যায় তিন শিশু। সেখানে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়। পরে অনেকক্ষণ তাদের সন্ধান না পাওয়ায় অভিভাবকরা আশপাশে খোঁজ করতে থাকে। এসময় নিহত সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন পানিতে দুজনের মরদেহ ভাসতে দেখেন। তার চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে এসে পানি থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় উপেন্দ্র নাথ বলেন, নিহত তিনজনের মধ্যে সাদিয়া এবং জেসমিন চাচাতো বোন এবং শেফালি তাদের ফুফাতো বোন হয়। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় তারা তিনজন সারাদিন একসঙ্গে থাকতো, খেলাধুলা করতো। এই তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ওসি মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

যশোর সালিশ শেষে ফেরার পথে হিজড়া যুবককে ব্লেড দিয়ে কুপিয়ে জখম

কুড়িগ্রামে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৭:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ মে ২০২১

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ##

 ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বলদিয়া গ্রামে ডোবার পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩০ মে) বেলা ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

 

নিহতরা হলো, স্থানীয় অপু মিয়ার মেয়ে শেফালি, সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে সাদিয়া এবং জহুরুল ইসলামের মেয়ে জেসমিন নিহত। তিন শিশুরই বয়স পাঁচ বছর এবং তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো বোন।

কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় আব্দুল মালেক জানান, বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া সংকোষ নদীর একটি শাখা ডোবাতে পরিবারের অজান্তে গোসল করতে যায় তিন শিশু। সেখানে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়। পরে অনেকক্ষণ তাদের সন্ধান না পাওয়ায় অভিভাবকরা আশপাশে খোঁজ করতে থাকে। এসময় নিহত সাদিয়ার বাবা সাদ্দাম হোসেন পানিতে দুজনের মরদেহ ভাসতে দেখেন। তার চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে এসে পানি থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয় উপেন্দ্র নাথ বলেন, নিহত তিনজনের মধ্যে সাদিয়া এবং জেসমিন চাচাতো বোন এবং শেফালি তাদের ফুফাতো বোন হয়। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় তারা তিনজন সারাদিন একসঙ্গে থাকতো, খেলাধুলা করতো। এই তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ওসি মাহাবুব আলম বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।