রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্পষ্ট কথা বলার লোক চলচ্চিত্রে নেই: কাজী হায়াৎ

কাজী হায়াৎ

বিনোদন ডেস্ক ।।

চলচ্চিত্রে স্পষ্ট কথা বলার লোক দিন দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চিত্রপরিচালক কাজী হায়াৎ। স্বনামখ্যাত এই নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী স্পষ্টভাষী লোক চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে বিদায় নিয়েছেন। স্পষ্ট কথা বলার লোক ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে শেষ হয়ে গেছে।

এরপরই কাজী হায়াৎ এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান- ‘আছে খান আতা, আছে নায়ক রাজ রাজ্জাক? আছে আমজাদ হোসেন, আছে চাষী নজরুল ইসলাম? কারা স্পষ্ট কথা বলবেন? সবাই আমরা গা বাঁচিয়ে যাচ্ছি।’

খান আতাউর রহমানের উদাহরণ টেনে কাজী হায়াৎ বলেন, ‘খান আতার মতো স্পষ্টবাদী লোক আর নেই। শুনবেন তার গল্প? একবার এফডিসিতে নিয়ম হয়েছিল- এফডিসিতে রিকশায় চড়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। গাড়ি ভেতরে নিয়ে যাওয়া যাবে। আতা ভাই নিয়মটা জানতেন না৷ তিনি রিকশায় চড়ে একদিন  এফডিসিতে এসেছিলেন। সিকিউরিটি গার্ড তাকে আটকে দিয়ে বললো- রিকশা নিয়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। তবে গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। তখন আতা ভাই বললেন, তাহলে কি এফডিসির সবার গাড়ি হয়ে গেছ? কেউ এটার প্রতিবাদ করেনি?

আতা ভাই রিকশা ছেড়ে হেঁটেই এফডিসিতে ঢুকলেন। ফেরার পথে তিনি দাড়োয়ানকে জিজ্ঞেস করলেন- আমাকে চেনো তুমি? উত্তরে দাড়োয়ান বললো, চিনলেও কোনো লাভ নেই। তখন এক থাপ্পর দিয়ে খান আতা বলেছিলেন, এমডি থাকবে তিন বছর আর খান আতা থাকবে চিরকাল। আরে খান আতাদের জন্যই তো তৈরি হয়েছে এফডিসি।’

কাজী হায়াৎ দুঃখ করে বলেন, ‘এখন এই কথা বলার কেউ নেই। রাজ্জাক ভাই স্পষ্ট কথা বলতেন। কাউকে ভয় পেতেন না। কারণ তার যে হাইপ ছিলো সেখান থেকে নামানোর কোনো পথ ছিল না। তিনি অন্যায্য কোনো কথা বলতেন না। আমজাদ ভাই, চাষী ভাইও তাই। তাদের নামানোর কিছু ছিল না। একজন আছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ভাই। তিনি বলছেন, তবে খুব একটা উচ্চারিত হচ্ছে না।’

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ ও চীনকে নজরে রাখতে নতুন নৌঘাঁটি করছে ভারত

স্পষ্ট কথা বলার লোক চলচ্চিত্রে নেই: কাজী হায়াৎ

প্রকাশের সময় : ০৪:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

বিনোদন ডেস্ক ।।

চলচ্চিত্রে স্পষ্ট কথা বলার লোক দিন দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চিত্রপরিচালক কাজী হায়াৎ। স্বনামখ্যাত এই নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী স্পষ্টভাষী লোক চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে বিদায় নিয়েছেন। স্পষ্ট কথা বলার লোক ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে শেষ হয়ে গেছে।

এরপরই কাজী হায়াৎ এই প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান- ‘আছে খান আতা, আছে নায়ক রাজ রাজ্জাক? আছে আমজাদ হোসেন, আছে চাষী নজরুল ইসলাম? কারা স্পষ্ট কথা বলবেন? সবাই আমরা গা বাঁচিয়ে যাচ্ছি।’

খান আতাউর রহমানের উদাহরণ টেনে কাজী হায়াৎ বলেন, ‘খান আতার মতো স্পষ্টবাদী লোক আর নেই। শুনবেন তার গল্প? একবার এফডিসিতে নিয়ম হয়েছিল- এফডিসিতে রিকশায় চড়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। গাড়ি ভেতরে নিয়ে যাওয়া যাবে। আতা ভাই নিয়মটা জানতেন না৷ তিনি রিকশায় চড়ে একদিন  এফডিসিতে এসেছিলেন। সিকিউরিটি গার্ড তাকে আটকে দিয়ে বললো- রিকশা নিয়ে ভেতরে যাওয়া যাবে না। তবে গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। তখন আতা ভাই বললেন, তাহলে কি এফডিসির সবার গাড়ি হয়ে গেছ? কেউ এটার প্রতিবাদ করেনি?

আতা ভাই রিকশা ছেড়ে হেঁটেই এফডিসিতে ঢুকলেন। ফেরার পথে তিনি দাড়োয়ানকে জিজ্ঞেস করলেন- আমাকে চেনো তুমি? উত্তরে দাড়োয়ান বললো, চিনলেও কোনো লাভ নেই। তখন এক থাপ্পর দিয়ে খান আতা বলেছিলেন, এমডি থাকবে তিন বছর আর খান আতা থাকবে চিরকাল। আরে খান আতাদের জন্যই তো তৈরি হয়েছে এফডিসি।’

কাজী হায়াৎ দুঃখ করে বলেন, ‘এখন এই কথা বলার কেউ নেই। রাজ্জাক ভাই স্পষ্ট কথা বলতেন। কাউকে ভয় পেতেন না। কারণ তার যে হাইপ ছিলো সেখান থেকে নামানোর কোনো পথ ছিল না। তিনি অন্যায্য কোনো কথা বলতেন না। আমজাদ ভাই, চাষী ভাইও তাই। তাদের নামানোর কিছু ছিল না। একজন আছেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু ভাই। তিনি বলছেন, তবে খুব একটা উচ্চারিত হচ্ছে না।’