শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চায় চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা হুয়া চুনইং সোমবার (১৬ আগস্ট) একথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। রবিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করেছে তালেবান। তালেবানের আগ্রাসী অভিযানের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্যসহ দেশ ছেড়ে তাজিকিস্তানে গেছেন।

চীন ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে। আফগানিস্তান উইঘুর মুসলিমদের আশ্রয় কেন্দ্র হয়ে ওঠে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত ছিল চীন। তবে গত জুলাইয়ের শেষদিকে তালেবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে সমাজতান্ত্রিক এই দেশটি। সেই বৈঠক শেষে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, আফগানিস্তান একটি মধ্যপন্থি ইসলামি নীতি গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করেন।

সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র চুনইং জানিয়েছেন, তালেবানরা বারবার চীনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তানের পুনর্গঠন এবং উন্নয়নে চীনের অংশগ্রহণের অপেক্ষায় আছে তালেবান। তিনি বলেন, আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। চীন আফগান জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকারকে সম্মান করে এবং আফগানিস্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ইচ্ছুক।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে চায় চীন

প্রকাশের সময় : ০৫:২৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অগাস্ট ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।।

তালেবানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা হুয়া চুনইং সোমবার (১৬ আগস্ট) একথা জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। রবিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করেছে তালেবান। তালেবানের আগ্রাসী অভিযানের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সদস্যসহ দেশ ছেড়ে তাজিকিস্তানে গেছেন।

চীন ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত রয়েছে। আফগানিস্তান উইঘুর মুসলিমদের আশ্রয় কেন্দ্র হয়ে ওঠে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত ছিল চীন। তবে গত জুলাইয়ের শেষদিকে তালেবান প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর দুশ্চিন্তা ঝেড়ে ফেলে সমাজতান্ত্রিক এই দেশটি। সেই বৈঠক শেষে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, আফগানিস্তান একটি মধ্যপন্থি ইসলামি নীতি গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করেন।

সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র চুনইং জানিয়েছেন, তালেবানরা বারবার চীনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তানের পুনর্গঠন এবং উন্নয়নে চীনের অংশগ্রহণের অপেক্ষায় আছে তালেবান। তিনি বলেন, আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। চীন আফগান জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকারকে সম্মান করে এবং আফগানিস্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে ইচ্ছুক।