শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

 যশোর প্রতিনিধি।। যশোরে বাবা ও মাকে মারপিট, আসবাবপত্র ভাংচুর এবং খুন করে লাশ গুম করার হুমকির অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন মা। গত রোববার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামল দায়ের পর বিচারক সাইফুদ্দীন হোসাইন আসামি তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সমনজারীর আদেশ দিয়েছেন। আসামি তৌহিদুল ইসলাম শহরতলীর ঝুমঝুমপুর এলাকার আব্দুল মালেক গাজীর ছেলে। বাদী আকলিমা বেগম মামলায় বলেছেন, তার স্বামী আব্দুল মালেক গাজীর প্রথম স্ত্রী মারা যায়। এরপরে ছেলে তৌহিদুল ইসলাম তার পিতার সকল সম্পত্তি ছেলে জবরদস্তি মূলক নিয়ে নেয়। এরপর থেকে পিতাকে অবহেলা, অনাদরসহ নানা ধরনের নির্যাতন শুরু করে। ফলে নিরুপায় হয়ে আব্দুল মালেক গাজী বাদী আকলিমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে আবারো বাদী এবং তার স্বামীর উপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে ছেলে তৌহিদুল ইসলাম। গত ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে ঝগড়াঝাটির এক পর্যায় বাদী ও তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। এসময় চেয়ার, টেবিল, ড্রেসিং টেবিল ও বাথ রুমের দরজা ভাংচুর করে ২০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। পাশাপাশি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে না গেলে খুন করে লাশ গুম করা হবে। এই ঘটনায় থানা মামলা না নেয়ায় আদালতে এই মামলা করা হয়েছে। বিচারক আসামি ছেলে তৌহিদুলের বিরুদ্ধে মামলাটি আমলে নিয়ে সমনজারীর আদেশ দিয়েছেন।

জনপ্রিয়

ইরানে হামলার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যশোরে ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

 যশোর প্রতিনিধি।। যশোরে বাবা ও মাকে মারপিট, আসবাবপত্র ভাংচুর এবং খুন করে লাশ গুম করার হুমকির অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন মা। গত রোববার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামল দায়ের পর বিচারক সাইফুদ্দীন হোসাইন আসামি তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে সমনজারীর আদেশ দিয়েছেন। আসামি তৌহিদুল ইসলাম শহরতলীর ঝুমঝুমপুর এলাকার আব্দুল মালেক গাজীর ছেলে। বাদী আকলিমা বেগম মামলায় বলেছেন, তার স্বামী আব্দুল মালেক গাজীর প্রথম স্ত্রী মারা যায়। এরপরে ছেলে তৌহিদুল ইসলাম তার পিতার সকল সম্পত্তি ছেলে জবরদস্তি মূলক নিয়ে নেয়। এরপর থেকে পিতাকে অবহেলা, অনাদরসহ নানা ধরনের নির্যাতন শুরু করে। ফলে নিরুপায় হয়ে আব্দুল মালেক গাজী বাদী আকলিমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে আবারো বাদী এবং তার স্বামীর উপর অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে ছেলে তৌহিদুল ইসলাম। গত ৩ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে ঝগড়াঝাটির এক পর্যায় বাদী ও তার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারপিট শুরু করে। এসময় চেয়ার, টেবিল, ড্রেসিং টেবিল ও বাথ রুমের দরজা ভাংচুর করে ২০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। পাশাপাশি বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে না গেলে খুন করে লাশ গুম করা হবে। এই ঘটনায় থানা মামলা না নেয়ায় আদালতে এই মামলা করা হয়েছে। বিচারক আসামি ছেলে তৌহিদুলের বিরুদ্ধে মামলাটি আমলে নিয়ে সমনজারীর আদেশ দিয়েছেন।